অনন্যার যুদ্ধজয়ের গল্প

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:২৩

 

সম্প্রতি ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা ২০১৯’ প্রদান করা হয়। প্রাণঘাতী করোনা  ভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের কারণে অনলাইনে লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বরাবরের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়া হয়। যারা পাহাড়সম প্রতিকূলতা ঠেলে নিজের জীবনে সফল হয়ে সমাজের নারীর অবস্থান দৃঢ় করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন তাদের একজন সুমনা শারমিন। তার জীবনযুদ্ধের খানিকটা জানাতে এই আয়োজন—

সুমনা শারমিন (সাংবাদিকতা)

 

বাংলাদেশে সমীহযোগ্য নারী সাংবাদিকদের তালিকায় সুমনা শারমিন অন্যতম শীর্ষস্থানীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে পাশ করে তিনি কাজ শুরু করেন ১৯৯১ সালে, আজকের কাগজে সাবএডিটর হিসেবে। ১৯৯২ সালে তিনি নতুন পত্রিকা ভোরের কাগজে যোগ দেন। প্রথম আলোর শুরু থেকেই ১৯৯৮ সালে তিনি পত্রিকাটির সঙ্গে যুক্ত আছেন। এরপর তিনি স্বকীয়তা ক্রমশ উদ্ভাসিত হতে থাকেন। সংস্কারমুক্ত, বিজ্ঞানমনস্ক, সত্ আর বিনয়ী সুমনা সবচাইতে বেশি অনুপ্রাণিত হয়েছে বেগম সুফিয়া কামালের কাছে। তিনি মনে করেন, ভালো সাংবাদিক হতে হলে পড়াশোনার পাশাপাশি মাঠে কাজ করতে হবে, পাশাপাশি ‘কমনসেন্স’ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সুমনা হলেন সেই সব প্রদীপের মতো, যারা অন্যদের আলো দান করেন, কিন্তু নিজে থাকেন পাদপ্রদীপের আড়ালে।