দোহারে দেবে গেছে পদ্মা বাইপাস সড়কের গাইড ওয়াল

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৩৪

খালের ওপর সেতুর বেহালদশা

শাহিনুর রহমান, দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা

দোহারের ডায়াগজারিয়া-ডায়ারকুম এলাকায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতাধীন পদ্মা বাইপাস সড়কের গাইড ওয়াল ভেঙে সড়ক দেবে গেছে। সড়ক সংযুক্ত দোহার করুণাময় খালের ওপর এলজিইডির নির্মিত সেতুটিরও বেহাল দশা। এতে সুতারপাড়া, নারিশা ও মুকসুদপুর ইউনিয়নবাসীসহ স্থানীয়রা চলাচলে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারীরা।

স্থানীয়রা জানান, ঢাকা-দোহার-শ্রীনগর সড়কের মুকসুদপুর পদ্মা কলেজ থেকে সড়কটি শুরু হয়ে আল-আমীন বাজার হয়ে নিকড়া এলাকার জয়পাড়া-গালিমপুর-টিকরপুর সড়কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৯ সালে সড়কটির সংস্কার কাজ করা হয়। ঐ বছর বর্ষা মৌসুমে পদ্মা নদীর সঙ্গে যুক্ত দোহার করুণাময় খালের স্রোতে সড়কটির এই অংশের গাইড ওয়াল ভেঙে সড়ক দেবে যায়। এছাড়া ১৯৮৯ সালে দোহার করুণাময় খালের ওপর এলজিইডির নির্মিত সেতুটির অবস্থাও জরাজীর্ণ। সেতুর দুই পাশের রেলিং ভেঙে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করছে যানবাহন।

স্থানীয় বাসিন্দা জিন্নত মাতাব্বর বলেন, সড়ক ভেঙে গেছে ও সেতুর অবস্থাও খারাপ। সংস্কার করা খুবই দরকার।

কৃষক জব্বর মোল্লা বলেন, নিজের গ্রামের সড়ক। প্রতিদিনই এ সড়ক দিয়ে জমিতে চাষবাস করতে যেতে হয়। ভাঙা সড়ক আর ভাঙা সেতু এ অবস্থায় খেতের ফসলাদি আনা-নেওয়া করতে খুবই কষ্ট হয়। বৃদ্ধ ভ্যানচালক আবদুর রহিম বলেন, সেতুটি জন্মের পর আর সংস্কার করা হয়নি। মালামাল নিয়ে ঝুঁকিতে যাতায়াত করতে হয়। 

 ইট ব্যবসায়ী মুরাদ হোসেন জানান, এ বছর বর্ষা মৌসুমে সড়কের গাইড ওয়াল ভেঙে সড়ক দেবে গেছে। সেতুটির অবস্থাও বেহাল। নিজের উদ্যোগে সওজ এবং এলজিইডিতে তদবির করেছি। কিন্তু কাজ হচ্ছে না।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের মুন্সীগঞ্জ রেঞ্জের উপ-বিভাগীয় সহকারী প্রকৌশলী সৈয়দ আলম এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা আছে। সড়ক ও সেতুর সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বিকল্প স্থানে সেতু নির্মাণের নকশা করা হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে দরপত্র আহ্বান করা হবে।’