গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা
গাংনীতে অপহরণের চার মাস পর পায়খানার ট্যাঙ্ক থেকে নারগিছ খাতুন (৪৫) নামের এক নারীর গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিন কন্যা সন্তানের জননী নারগিছ গাংনী উপজেলার সাহেবনগর গ্রামের মৃত লতিফ ফরাজীর স্ত্রী।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাংনী থানা পুলিশের একটি দল সাহেবনগর গ্রামের আবুল বাসার (অপহরণ মামলার আসামি) নামের এক ব্যক্তির বাড়ির পায়খানার ট্যাঙ্কের মধ্যে থেকে নারগিছ খাতুনের গলিত লাশ (কঙ্কাল) উদ্ধার করে। গাংনী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) বিশ্বজিত্ জানান, গত বছর ৫ আগস্ট থেকে নারগিছ খাতুন নিখোঁজ হন। পরে তার মেয়ে তাসলিমা খাতুন বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। এ মামলায় সন্দেহভাজন আবুল বাসার ও তার এক সহযোগীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা এখনও মেহেরপুর জেলা কারাগারে রয়েছেন। ফরজ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে জানায়, এ মামলার আসামি বাসারের (পায়খানা) টয়লেটের ট্যাংকের মধ্যে নারগিছের লাশ রয়েছে। সে তথ্য অনুযায়ী লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গাংনী থানার ওসি হরেন্দ্রনাথ সরকার (পিপিএম) জানান, শনিবার ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হবে।
