‘একাত্তর ও পঁচাত্তরের দোসররা আগামী নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চায়। বাংলাদেশকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। তাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’ গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের এক মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ নির্বাচন বানচাল করতে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারার প্রতিবাদে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম সম্পাদক ও নাট্যশিল্পী শমী কায়সার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণে বলেছিলেন, আমি মুসলমান, আমি বাঙালি। তিনি আরও বলেছিলেন, যে মুসলমান সঠিক বাঙালি, সে কখনও বেঈমানী করে না।’ শমী কায়সার বলেন, বেঈমানী তারাই করে, যারা বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাধা দেয়। বেঈমানী তারাই করে, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সঙ্গে, স্বাধীনতার সঙ্গে বেঈমানী করেছেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা। বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি নাট্যশিল্পী রোকেয়া প্রাচী, জোটের কেন্দ্রীয় নেতা নায়ক ও গায়ক এস.ডি রুবেল, কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলম, কণ্ঠশিল্পী জানে আলম, সুরকার শাহ আলম, নাট্য অভিনেত্রী পারুল আক্তার লোপা, নাট্যশিল্পী শম্পা রহমান, কণ্ঠশিল্পী বৃষ্টি রানী সরকার, মাধবী সরকার, মোতাছিম বিল্লাহ, জাফর আহমেদ জয়, নাট্যশিল্পী হাবিব উল্লাহ রিপন, দিলীপ সরকার, মো. ইব্রাহিম প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে পুলিশের গাড়িতে হামলাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
