ইত্তেফাক রিপোর্ট
প্রবাসে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর কর্মকর্তাদের অভিবাসী বান্ধব হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। একই সঙ্গে দূতাবাসগুলোকে চব্বিশ ঘণ্টা প্রবাসীদের সেবা প্রদান করা উচিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়াসংসদে পরিকল্পনা মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নারী কর্মী প্রেরণ স্পর্শকাতর বিষয়। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে বাস্তবতার আলোকে নতুন করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে আমাদের প্রবাসী কর্মীদের বেতন নির্ধারণ করতে হবে। বিশ্বায়নের বর্তমান প্রেক্ষিত বিবেচনায় নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ অর্থনীতির নানাক্ষেত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজস্ব মেধা ও সৃজনশীলতা বিবেচনায় নিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, তৈরি পোশাক, চামড়া, ঔষধ শিল্প ইত্যাদি খাতের মতো বড় কোনো অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ছাড়াই অভিবাসন খাত থেকে প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছে। যা আমাদের জিডিপিতে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ অবদান রাখছে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ থেকে সোয়া ১০ লাখ এবং ২০১৮ সালে সাড়ে ৭ লাখ কর্মী বিদেশ গেছে। চলতি বছর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১২ লাখ কর্মী বিদেশ পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা উচিত।
