Fণপত্রের তথ্য পূর্ণাঙ্গভাবে যথাসময়ে জানাতে হবে

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:১০

ইত্তেফাক রিপোর্ট

রপ্তানি বাণিজ্যের উন্নয়নে অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের (এলসি) তথ্য যথাযথভাবে যথাসময়ে রিপোর্ট করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত সপ্তাহে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এক প্রজ্ঞাপনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা দিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বরে জারি করা অন্য এক প্রজ্ঞাপনে অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের সার্বিক তথ্য যথাযথভাবে যথাসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন ব্যবস্থায় রিপোর্ট করার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ওই প্রজ্ঞাপনে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে  সকল বৈদেশিক লেনদেন প্রতিদিন ভিত্তিক অনলাইন ব্যবস্থায় রিপোর্ট করতে বলেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

কিন্তু ব্যাংকগুলো ওই নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন না করায় নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের রপ্তানি বাণিজ্য প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষতে অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন উত্তরোত্তর বাড়ছে।

অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত নির্দেশনাসহ শুল্ক/বন্ড সংক্রান্ত বিধিবিধান পরিপালনীয় হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন-লাইন রিপোর্টিং ব্যবস্থায় সংরক্ষিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিবেচনা করা হয়। কিন্তু অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র স্থাপনকারী ব্যাংক কর্তৃক পূর্ণাঙ্গ তথ্য অনলাইন ব্যবস্থায় রিপোর্ট করা হয় না মর্মে বাংলাদেশ ব্যাংকের গোচরীভূত হয়েছে। পাশাপাশি ঋণপত্র সংশোধন করা হলে সে মোতাবেক পূর্বে রিপোর্টকৃত অনলাইন ব্যবস্থার তথ্য সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে। অন-লাইন ব্যবস্থায় অপূর্ণাঙ্গ তথ্যের কারণে ঋণপত্রের বেনিফিসিয়ারী নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে; যা দেশের সার্বিক রপ্তানি বাণিজ্য উন্নয়নের স্বার্থে কাম্য নয়।

বর্ণিত প্রেক্ষাপটে আপনাদের সকল অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখাকে অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের সার্বিক তথ্য যথাযথভাবে যথাসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন ব্যবস্থায় রিপোর্ট করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে।