আমার দুই মেয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাক্রমে সাইকোলজি অনার্স ও বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ বর্ষের ছাত্রী। ২০১৪ সালে তারা ভোটার তালিকাভুক্ত হয় এবং ছবি ওঠানোর কাজও শেষ হয়। এ পর্যন্ত স্মার্ট কার্ড তো দূরের কথা সাধারণ আইডি কার্ডও পায়নি। তাদের পড়ালেখা শেষ পর্যায়ে। তারপর নামতে হবে চাকরিযুদ্ধে। চাকরির দরখাস্ত করতে হলে আইডি কার্ডের ফটোকপি অত্যাবশ্যক। ৫ বছর শেষ হয়েছে। আইডি কার্ডের দেখা মেলেনি। আমি উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করেছি। অফিস সহকারী ভোটার তালিকা দেখিয়ে আমাকে বললেন, জরুরি হলে আমরা তালিকা থেকে দুটো ফটোকপি করে দিতে পারি। তবে এজন্য ৫০০ টাকা লাগবে। দুটো ফটোকপি করতে বড়জোর ১০ টাকা লাগার কথা। কেন ৫০০ টাকা দিতে হবে বুঝতে পারলাম না। আমার মেয়েদের আইডি কার্ড যদি হারিয়ে যেত তাহলে ৫০০ টাকা কেন, ১০০০ টাকা হলেও আমি করে নিতাম। যেখানে পাঁচ বছরের মধ্যে আসল আইডি কার্ডই পেলাম না, সেখানে টাকা দিয়ে আইডি কার্ড বানিয়ে নিতে হবে কেন? প্রশ্ন হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন পাঁচ বছরের মধ্যে আইডি কার্ড ইস্যু করতে পারলেন না কেন? ২০১৪ সালের আইডি কার্ড পেতে আর কত সময় লাগবে?
মিজানুর রহমান
নগরকয়া, পান্টী, কুমারখালী, কুষ্টিয়া
