আচরণবিধি প্রতিপালন-বিষয়ক সভায় বসুরহাট পৌর মেয়র ও মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা বক্তব্য দেওয়ার সময় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মেয়রকে আচরণবিধি মেনে বক্তব্য দিতে বললে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বেরিয়ে যান। পরে আওয়ামী লীগদলীয় মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জার সমর্থকরা গতকাল সকালে বসুরহাট জিরো পয়েন্টের বঙ্গবন্ধু চত্বরে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অপসারণ ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট, ঝাড়ু মিছিল, কুশপুত্তলিকা দাহ এবং রাস্তায় গাছ ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপির ছোট ভাই মেয়র আবদুল কাদের মির্জা জেলার ডিসি, রিটার্নিং অফিসার অপসারণ, জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বাতিল, জেলার টেন্ডারবাজি ও নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধসহ নোয়াখালী ও ফেনীর নিজাম হাজারী ও স্বপন হাজারীসহ অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। কর্মসূচি পালনকালে তার সমর্থকরা বসুরহাট বাজারের হোটেল ও ফার্মেসি ছাড়া সব দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। বিকালে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খাইরুল আলম সেলিমকে কোম্পানীগঞ্জে পাঠিয়ে নির্বাচনের পর দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে নেতাকর্মীরা সভাস্থল ত্যাগ করেন।
এর আগে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল আলম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিয়াউল হক মীর, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি জাহেদুল হক রনিসহ বসুরহাট পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
