ভোক্তা ও উত্পাদকদের স্বার্থ রক্ষা করে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত --------------বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৩৫

বর্তমানে ভারত থেকে যে পেঁয়াজ আসছে তা আগের এলসি করা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, নতুন করে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে দেশের ভোক্তা এবং উত্পাদনকারীদের স্বার্থরক্ষা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা জানিয়ে বলেন, ভারত তাদের সুবিধামতো বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করে আবার বন্ধ করে দেয়। তাই পেঁয়াজ আমদানি নির্ভর না থেকে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উন্নতমানের বীজ ব্যবহার করে এবং উত্পাদনকারীদের উত্সাহ প্রদান করে দ্রুত পেঁয়াজের উত্পাদন বৃদ্ধির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ৪ থেকে ৫ লাখ টন পেঁয়াজ হিমাগারে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ পাউডার বানিয়ে বাজারজাত করা হবে। আশা করছি, আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশে পেঁয়াজ উত্পাদনে স্বয়ংসম্পন্ন হবে। পেঁয়াজ আমদানি নির্ভরতা আর থাকবে না বলে জানান তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে আলুর দর কমে এসেছে। বাজারে আলুর দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে টিসিবি সাশ্রয়মূল্যে বাজারে আলু বিক্রয় করেছে। তিনি বলেন, ভোজ্য তেলের মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে। এটিও আমদানিনির্ভর পণ্য। সে কারণেই বাংলাদেশে এর সাময়িক প্রভাব পড়েছে। তবে, অসত্ উপায়ে যাতে কেউ পণ্যের মূল্য বাড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সজাগ রয়েছে। টিপু মুনশি বলেন, এ মহূর্তে আমাদের চালের মজুত কিছুটা কম। সেজন্য সরকার চাল আমদানি শুরু করেছে। প্রয়োজনে বেসরকারি পর্যায়েও চাল আমদানির সুযোগ দেয়া হবে। বাণিজ্যসচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।