পাইকারীর তুলনায় খুচরাতে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:৩৫

পাইকারি বাজারের তুলনায় এখনো খুচরাতে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। গতকাল শনিবারও রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে প্রতি কেজি আমদানিকৃত পেঁয়াজ ২২ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হয়। অথচ দিনাজপুরের হিলি স্থল বন্দরের আড়তগুলোতে প্রতি কেজি ভারতীয় আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৪ থেকে ৮ টাকা।

পেঁয়াজ আমদানিকারকরা বলেছেন, বর্তমানে যে দামে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে, তাতে ব্যবসায়ীরা লোকসান গুনছেন। কারণ, বিক্রি মূল্যের চেয়ে আমদানি খরচ বেশি।

গতকাল শনিবার আমদানিকারক মোর্শেদুর রহমান ও আইয়ুর আলী ইত্তেফাককে বলেন, গত কয়েকদিন খুব কম পরিমানে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। তবে আজ (শনিবার) ভারত থেকে এই স্থল বন্দর দিয়ে ৮টি ট্রাকে ২২০ টন পেঁয়াজ এসেছে। এই পেঁয়াজগুলোর আমদানি খরচ আগের চেয়ে বেশি পড়েছে। ইন্দোর অঞ্চলের পেঁয়াজের আমদানি খরচ পড়েছে ৮/৯ টাকা। আর নাসিকের পেঁয়াজ পড়েছে ১১ টাকা। যা আগে ছিল ৯/১০ টাকা।

তবে সরবরাহ বাড়ায় আগামীকাল (রবিবার) আবার পেঁয়াজের দাম কমতে পারে। বর্তমানে লোকসানে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে বলে তারা জানান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত কয়েক বছরের চেয়ে এবার ভারতে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের উত্পাদন বেড়েছে। ফলে ভারত থেকে প্রচুর পরিমানে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। এছাড়া দেশের বাজারে স্থানীয় জাতের পেঁয়াজের পাশাপাশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠেছে। এর প্রভাব পড়েছে পাইকারি বাজারে।

তবে পাইকারি বাজারে দাম কমলেও এখনো রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২২ থেকে ২৫ টাকায়। হিলি থেকে রাজধানী পর্যন্ত পরিবহনসহ অন্যান্য সব খরচ যোগ করলেও খুচরা বাজারে এত দাম হওয়ার কথা নয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরকারের উচিত বাজারে নজরদারি বাড়ানো। সেইসাথে কেউ কারসাজি করে দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া।