উন্নয়নে কিছু কৌশলগত পরিবর্তন প্রসঙ্গে

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২১, ২১:২৭

বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের মহামারির কারণে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হয়েছে। এ কারণে বিশ্বে হতদরিদ্রের সংখ্যা বেড়ে ৪০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০২০ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে, সেগুলো প্যাকেজ-১, প্যাকেজ-২, প্যাকেজ-৩। যেগুলো সবচেয়ে বেশি জনগুরুত্বপূর্ণ সেগুলো প্যাকেজ-১। প্যাকেজ-১ অপেক্ষা কম জনগুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজ-২, প্যাকেজ-২ অপেক্ষা কম জনগুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনাগুলোকে প্যাকেজ-৩—এভাগে বাস্তবায়ন  করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ বাড়িয়ে তিন শিফটে দিন-রাত্রি ২৪ ঘণ্টা কাজ করে আগামী নির্বাচনের আগে যতটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব করতে হবে। এখানে বিশেষভাবে উল্লে­খ্য—যেগুলোর কাজ শেষ হওয়ার চূড়ান্ত পর্যায় রয়েছে এবং নির্বাচনের আগে সম্পন্ন করা সম্ভব, সেগুলির কাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে করতে হবে। উন্নয়নের কাজ কম হলে সরকার, দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে নজরদারি করা সহজ হবে। এতে দুর্নীতি অপচয় হ্রাস পাবে। উন্নয়ন বেশি হলে সরকারের পক্ষে নজরদারি করা দুরূহ ও দুর্গম হবে। উন্নয়ন বেশি হলে জনগণের ওপর করের চাপ বেড়ে যাবে। অতীতের উন্নয়নের কাজে নজিরবিহীন দুর্নীতি অপচয়ের অভিজ্ঞতা তার প্রমাণ। সড়ক, রেল, নৌ যোগাযোগব্যবস্থার বিদ্যমান অবকাঠামোগুলো সংস্কার করে এর পরিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে দুর্ঘটনা হ্রাস, সময়ের সাশ্রয় কোটি কোটি মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘব হয়ে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসবে। এতে সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়বে।

আব্বাস উদ্দিন আহমদ

ধোপাদিঘির দক্ষিণ পাড়, সিলেট ৩১০