যে কোনো অনুষ্ঠানে আতশবাজি পোড়ানো, বাজি, পটকা ফোটানো বা ফানুস ওড়ানো একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে। মানুষ আয়োজন করে এসব করতে এখন ভালোবাসে। কিন্তু এসব যে আমাদের ক্ষতির সম্মুখীন করছে কিংবা আমাদের মধ্যেই অনেকের জীবন কেড়ে নিচ্ছে সে দিকটা কি আমরা ভাবছি? আতশবাজি পোড়ানোর সময় আগুন লেগে অনেক বিপদ ঘটে যেতে পারে। এছাড়া পটকা ও বাজির শব্দেও মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। করোনাকালে মানুষ এমনিতেও আতঙ্কে জীবন পার করছে। তার ওপর এসবে তারা আরো বেশি ভীত হয়ে যাচ্ছে, অনেকে হূদরোগেও আক্রান্ত হচ্ছে। অন্যদিকে ফানুস আগুন জ্বালিয়ে ওড়াতে হয়, অনেক সময় এই আগুন নিভে যাওয়ার আগেই তা মাটিতে পড়ে। ফানুসে থাকা কেরোসিন বাতি না নিভেই বিভিন্ন জায়গায় পড়ে ক্ষতি সাধন করছে, যা ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার জন্য ক্ষতিকর। কারণ একবার এসব জায়গায় আগুন লাগলে তা মুহূর্তের মধ্যেই সব শেষ করে দেয়। তাই সবার সচেতন থাকা জরুরি। আনন্দ করতে গিয়ে অন্য সবাইকে ক্ষতির মুখে না ফেলা আমাদের প্রত্যেকেরই দায়িত্ব। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন, যেহেতু সমাজ অনেক মানুষ নিয়ে গঠিত—সেজন্য বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দেখুন, যাতে বৃদ্ধ, ছোট বাচ্চা, অসুস্থ মানুষসহ সবাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারে।
আনিকা তাবাসসুম রিশা
বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ঢাকা
