গ্রুপ পর্বে দুই দল
সাইফ স্পোর্টিং ৩-০ উত্তর বারিধারা ক্লাব
সাইফ স্পোর্টিং ৬-১ ব্রাদার্স ইউনিয়ন
সাইফ স্পোর্টিং ১ -০ আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ
কোয়ার্টার ফাইনাল
সাইফ স্পোর্টিং (২)৭-৬(২) মোহামেডান
চট্টগ্রাম আবাহনী ১-০ রহমতগঞ্জ
চট্টগ্রাম আবাহনী ০-১ বসুন্ধরা কিংস
কোয়ার্টার ফাইনাল
চট্টগ্রাম আবাহনী ২-০ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র
স্পোর্টস রিপোর্টার
ফেডারেশন কাপ ফুটবলের আজ প্রথম, আগামীকাল দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম আবাহনী ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব মুখোমুখি হবে বিকাল ৪টায়। একই মাঠে, একই সময়ে আগামীকাল দ্বিতীয় সেমিফাইনালে খেলবে আবাহনী ও টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস।
ফেডারেশন কাপ ফুটবলে আজকের দুই সেমিফাইনালিস্টের মধ্যে সাইফ স্পোর্টিংয়ের সামনে ফাইনালে ওঠার হাতছানি। গত কয়েকটি আসরে এই সাফ চেষ্টা করেও পারেনি। এবার তারা ফাইনালে ওঠার আরেকটি চেষ্টা করবে। চট্টগ্রাম আবাহনীকে বড় বাধা মনে করা হলেও চট্টগ্রাম আবাহনীও আজ হারিয়ে যাবে সাইফে আক্রমণের স্রোতে। ফেডারেশন কাপে দুর্দান্ত গতিতে ছুটে চলা এই সাইফ এরই মধ্যে নিজেদের মেলে ধরেছে। ফুটবল দর্শকও সাইফের খেলায় সন্তুষ্ট। সবদিক থেকে এই দলটাকে ব্যালান্সড মনে করছেন ফুটবল দর্শকরা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথাও অনেকে আগ বাড়িয়ে বলছেন। তবে খেলোয়াড়রা আজ চট্টগ্রাম আবাহনীকে নিয়েই ভাবতে চায়। চট্টগ্রাম আবাহনী আগেও ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালে খেলেছে বলে তাদেরকে ভয় পাচ্ছে না সাইফ স্পোর্টিং। সাইফের রহমত মিয়া উলটো জানিয়ে দিয়েছেন চট্টগ্রাম আবাহনীই নাকি চাপে থাকবে।
ফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্বে সাইফ স্পোর্টিং ৩ ম্যাচ জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। কোয়ার্টার ফাইনালে মোহামেডানের বিপক্ষে দারুণ লড়াই হয়েছিল। বলা হচ্ছে—টুর্নামেন্টে দুটি সেরা ম্যাচের একটি ছিল সেটি। ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে সাইফ টাইব্রেকারে হারায় মোহামেডানকে। এই টুর্নামেন্টে ৪ ম্যাচ ১২টি গোল করেছে। হজম করেছে ৩টি। সাইফের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড কেনেথ ৪ গোল করেছেন। আজও এই ফরোয়ার্ডের ওপর আস্থা সাইফের বেলজিয়ান কোচ পল জোসেফ পুটের। এই কোচও ফাইনালে ওঠার প্রত্যাশা সাজিয়ে বসেছেন। তিনিও মনে করছেন যদি তার দল স্বাভাবিক খেলাটাও খেলতে পারে ফাইনালে উঠতে সমস্যা হবে না। কোনো কিছুকে চামও মনে করছেন না তিনি। কোচিং ক্যারিয়ারে ৭০-৮০ হাজার দর্শক মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
চট্টগ্রাম আবাহনী ২০১৭ সালে ফাইনাল খেলেছিল। চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। রানার্সআপ চট্টগ্রাম আবাহনী আবার ফাইনালে উঠতে মরিয়া। ফেডারেশন কাপে গ্রুপ পর্বে রানার্সআপ হয়েছিল। টুর্নামেন্টের বর্তমান রানার্সআপ রহমতগঞ্জকে ১-০ গোল হারিয়ে, বসুন্ধরা কিংসের কাছে হেরেছিল ১-০ গোলেই। রহমতগঞ্জ দুই ম্যাচে হারার সুযোগে চট্টগ্রাম আবাহনী কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। সেখানে ভালো খেলেছে। শেখ রাসেলকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে। কোচ শেখ মারুফুল হকের চট্টগ্রাম আবাহনী আজ সেরাটা দিয়ে লড়াই করবে।
