ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৯ শতাংশে

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২১, ২১:৪১

দেশে মূল্যস্ফীতির হার নভেম্বরের তুলনায় কিছুটা কমে ডিসেম্বরে ৫ দশমিক ২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। নভেম্বরে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। ডিসেম্বরে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশে এবং খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২১ শতাংশে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

বিবিএসের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নভেম্বরের তুলনায় মূলত খাদ্যপণ্যে ব্যয় কমে আসায় মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা নিম্নমুখী। তবে এক মাসের ব্যবধানে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়েছে। বিবিএসের তথ্যে বলা হয়েছে, এক মাসের ব্যবধানে ডিম, ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে। শাকসবজির মধ্যে বেগুন, লাউ, করলা, পটোল, শসা, টম্যাটো, লালশাক, পালংশাক, ফুলকপি, শিম, পেঁপে মুলার দাম কমেছে। সেসঙ্গে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ইত্যাদির দাম নভেম্বরের তুলনায় কমেছে।

বিবিএসএর হিসাবে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩১ শতাংশে, যা নভেম্বর মাসে ছিল              ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এসময় শহরাঞ্চলে খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল                       ৫ দশমিক ১১ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশে, যা নভেম্বর মাসে ছিল ৫ দশমিক               ৯০ শতাংশ।

অন্যদিকে ডিসেম্বরে গ্রামীণ অঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। নভেম্বর মাসে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ থাকলেও ডিসেম্বরে তা কিছুটা কমে হয়েছে ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। এছাড়া গ্রামীণ অঞ্চলে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা নভেম্বর মাসে ছিল ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে গিয়ে হয়েছে ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ।