ফুটবলের জন্য স্টেডিয়াম প্রয়োজন বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২১, ২১:৪৪

বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের সঙ্গে এবারই প্রথম বাফুফে ভবনে ফুটবল কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা হলো। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ তার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতনদের নিয়ে বাফুফে ভবনে গিয়েছিলেন দুপুরে। দুই ঘণ্টার সভা শেষে বাফুফে, মন্ত্রণালয়, বিকেএসপির মহাপরিচালকসহ অন্যান্য সব কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে হাজির হলেন। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে থাকা প্রতিনিধি দলের কাছে। ১১টি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। বাফুফের প্রস্তাবনা শুনে মন্ত্রণালয় জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, ‘আমরা সরকারের সঙ্গে কথা বলব। বাস্তবায়ন করার সবচেষ্টা করব।’

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফুটবলের প্রতি আন্তরিক। তার কথায় সেটা পরিষ্কার। তিনি উপলব্ধি করছেন ফুটবলের জন্য স্টেডিয়াম দরকার। কাল বলছিলেন, ‘ফুটবলের জন্য স্টেডিয়াম প্রয়োজন।’ তিনি ফুটবলের জন্য স্টেডিয়াম করে দেবেন এমন কথাও বলেছেন। তিনি বলেন, ‘কোথায় স্টেডিয়াম হবে আমরা সেটি দেখছি। পূর্বাচলে হতে পারে। ঢাকার আশেপাশেও হতে পারে। কক্সবাজারে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পাশেই ফুটবল স্টেডিয়াম হচ্ছে। ডিজাইন প্রায় চূড়ান্ত সেটি আজই (গতকাল) প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। উনি দেখে কিছু অবজারবেশন দিয়েছেন।’ জিপিও অফিস উঠে যাবে সেখানে মাঠ হওয়ার কথা রয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানালেন সেটি নিয়েও কথা চলছে।

এ পর্যন্ত কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম অনেকবার সংস্কার করা হয়েছে। এভাবে অর্থের অপচয় না করে ভেঙে নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ করা যায় কি না। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম নিয়ে জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ভাঙা হবে না। এখানে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। যতদিন ব্যবহার করা যায় করা হবে। এটা রাষ্ট্রীয় সম্পদ।’

আর্থিক সহযোগিতা, ফ্লাডলাইট স্থাপন, সংস্কার, মহিলা হোস্টেল, ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণ, ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়দের জন্য আবাসিক ক্যাম্প, ফুটবলের জন্য জিম, কক্সবাজার স্টেডিয়ামে এএফসি ও ফিফার চাওয়া অনুসারে প্রয়োজনীয় সুবিধা স্থাপন করা, জেলা ফুটবলের উন্নয়নের জন্য বছরের নির্দিষ্ট সময়ে মাঠ বরাদ্দ করা, ১০ বছর মেয়াদি ফুটবল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতা করা। এখানে বিকেএসপি নিয়েও কথা হয়েছে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলন হতে বেরিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রীর কাছে ক্যাসিনো কাণ্ডে বন্ধ থাকা কয়েকটি ক্লাব সহযোগিতা চায় যেন ক্লাবগুলো খুলে দেওয়া হয়। রাসেল জানিয়েছেন, ‘ক্লাবগুলোকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অনুমতি দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বন্ধ রেখেছে। তার পরও আমরা কথা বলব।’