মাদক মামলার আসামিকে গ্রেফতারের আগে তার সঙ্গে ফোনালাপের ঘটনায় দারুস সালাম থানার (বর্তমানে উত্তরা পশ্চিম থানায় কর্মরত) তত্কালীন এসআই মোহাম্মদ রায়হানুজ্জামানের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এক মাসের মধ্যে তদন্ত করে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে ডিএমপি কমিশনারকে বলা হয়েছে। এ মামলার এক আসামির জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়। আগামী ৯ মার্চ এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি হবে। আদালতে আসামি সোহাগের পক্ষে আইনজীবী মনিরুজ্জামান রানা ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ শুনানি করেন।
২০১৮ সালের ৯ জুন মিরাজ হাওলাদার ওরফে সোহাগ নামের এক বাস ম্যানেজারের বিরুদ্ধে হেরোইন এবং ২১ পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলা হয়। নিম্ন আদালতের পর হাইকোর্টে জামিন চান ঐ আসামি। জামিন শুনানির সময় সোহাগকে গ্রেফতারের আগে এসআই রায়হান তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন—এ সংক্রান্ত একটি কললিস্ট আসামির আইনজীবী আদালতে দাখিল করেন। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে এসআই রায়হানকে তলব করা হয়।
এসআই রায়হান গতকাল আদালতে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তার বক্তব্যের ওপর শুনানি নিয়ে এসআই রায়হানের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সোহাগের জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে আদালত।
