করোনা মহামারির সময়ে করা উচ্চমানের কারুশিল্প পণ্যের জন্য ওয়ার্ল্ড ক্রাফটস কাউন্সিল (ডব্লিউসিসি) ও এশিয়া প্যাসিফিক রিজিয়ন (এপিআর) এর পক্ষ থেকে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল ৮ জানুয়ারি বিকেল ৪ টায় রাজধানীর বেঙ্গল শিল্পালয়ে বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারী বয়নশিল্পীদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
উচ্চমানের কারুশিল্প পণ্যের জন্য নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বয়নশিল্পী আনোয়ার হোসেন ও মোহাম্মদ সজীব যৌথভাবে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ডব্লিউসিসি পুরস্কার লাভ করেছেন।
এছাড়া অংশগ্রহণ করেছিলেন বয়নশিল্পী জামাল হোসেন এবং মোহাম্মদ জব্বার। গত ৫ ডিসেম্বরে ডব্লিউসিসি-এপিআরের ৩৮ তম সাধারণ সভা উপলক্ষে উজবেকিস্তানের তাশকেন্তে অনুষ্ঠিত লাইভ স্ট্রিমকৃত ভার্চুয়াল প্রদর্শনীতে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
গত বছর নভেম্বরে ডব্লিউসিসি ও এপিআর এর পক্ষ থেকে মহামারির সময়ে কৃত উচ্চমানের কারুশিল্প পণ্যের জন্য একটি প্রতিযোগিতা আহ্বান করা হয়। কোভিড পরিস্থিতিতে কারুশিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগের নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদ ও নব সাঁকোর সহযোগিতায় বেঙ্গল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঁচটি জামদানি পণ্য প্রতিযোগিতায় উপস্থাপন করে।
আয়োজনে অতিথি হিসেবে থাকবেন গবেষক, কারুশিল্প বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য চন্দ্রশেখর সাহা এবং টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য মনিরা এমদাদ।
বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদ ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশন উভয়ই ‘জাতীয় সংগঠন’ হিসেবে ডব্লিউসিসি-এপিআরের সদস্যভুক্ত।
ইত্তেফাক/এএএম
