ওয়াটসন হালদার
অধ্যক্ষ, সেন্ট যাকোব স্কুল, মোহাম্মদপুর, ঢাকা
আমরা একটি কঠিন সময় পার করছি। সারা পৃথিবী আজ থমকে গেছে। কিন্তু থেমে গেলে তো চলবে না। আমাদেরকে সামনে এগিয়ে যেতেই হবে। সমস্যা মোকাবেলা করে এগিয়ে যাওয়াই তো জীবন। কোভিড-১৯ জীবনের হিসেব পাল্টে দিয়েছে। বড়দের মতো শিশুরাও বিভিন্নভাবে আক্রান্ত। তারা ও মানসিকভাবে অসুস্থ হচ্ছে। ভেঙ্গে পড়েছে শিক্ষাব্যবস্থা। এই সময়ে, সবকিছুর মতো তাল মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন করে এগিয়ে যেতে হবে।
অনলাইন ক্লাস শিশুদের জন্য একটি নতুন মাধ্যম। প্রযুক্তির এই শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে শিক্ষাগ্রহণ থেমে যায়নি। এখানে মা-বাবার দায়িত্ব পূর্বের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। সময় এসেছে উপলব্ধি করার যে মা-বাবার সহযোগিতা ছাড়া সন্তানদের উন্নতি করা কঠিন। অনলাইন ক্লাসে সন্তানেরা কি আর শিখবে ভেবে যেন আমরা সময় নষ্ট না করি। ঘরে বসে শেখার এই মাধ্যমেই এখন একটি বড় উপায় সন্তানদের গঠনমূলকভাবে ব্যস্ত রাখার ও কিছু শেখার। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। বিশ্বের সব উন্নত দেশগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে, কারণ স্কুলেই তারা এই প্রযুক্তির ছোঁয়া পায়। এই করোনা-কালীন সময়ে আমরা এখন অনেকটাই প্রযুক্তি নির্ভর। প্রযুক্তির বাইরে এই পৃথিবীটা অনেক ছোট। তবে আমাদেরকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে যে, আমাদের সন্তানেরা পড়ালেখার নামে যেন মন্দ অভ্যাস গড়ে না তোলে। মোবাইল, ট্যাব, লেপটপ যেন বিনোদনের একমাত্র উপায় না হয়।
এই ভীতিকর পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে হবে এবং মা-বাবাকে পূর্বের তুলনায় সন্তানদের জন্য সময় বাড়িয়ে দিতে হবে। পরিবারই হোক শিক্ষার ও আনন্দের সর্ববৃহত্ স্থান।
ছবি সৌজন্যে:সেন্ট যাকোব স্কুল
