ডাকটিকিট

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২১, ২০:০০

 

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন। এরপর দীর্ঘ নয় মাস পাকিস্তানের মিলানওয়ালি কারাগারে বন্দি থাকেন। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও বাঙালির স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু আপসহীন নেতৃত্ব দিয়ে যান। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি জাতি চরম উদ্বেগ ও উত্কণ্ঠার মধ্যেও তাদের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা মনে করেছে এবং অপেক্ষায় থেকেছে তাঁর। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জিত হলেও বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে বন্দি থাকায় আমাদের সে বিজয় পূর্ণতা পায়নি।

মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠে। যার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি কারামুক্ত করে। কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু লন্ডন ও ভারত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ঢাকা প্রত্যাবর্তন করেন। এরই মাধ্যমে বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। তারপর থেকে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট, ডাকটিকিটের শিটলেট ও উদ্বোধনী খাম প্রকাশ করেছে। ২০১১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো ৫ টাকা মূল্যমানের দুটি এবং ১০ টাকা মূল্যমানের একটিসহ মোট তিনটি স্মারক ডাকটিকিট, নয়টি ডাকটিকিট সংবলিত শিটলেট ও দুই আকারের দুটি উদ্বোধনী খাম প্রকাশিত হয়। ডাকটিকিটের নকশায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তিনটি ছবি স্থান পায়। ডিজাইনার মতিওর রহমান। এরপর ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশিত ১০ টাকার ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খামে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ছবি ব্যবহার করা হয়। এর নকশা করেন সনজীব কান্তি দাস। আজ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হবে।