অবশেষে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুটি ইউনিটের ৭৫ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। পরে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা হস্তান্তর করা হয়। গত বছর ৫ ডিসেম্বর সিলেটে জেলা ও মহানগর কমিটির সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলে তখন উভয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেছিলেন ওবায়দুল কাদের। তারা হচ্ছেন—জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট লুত্ফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান। মহানগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন।
তখন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষিত হয়নি। অনেকেই আশায় ছিলেন পরবর্তী সময়ে কমিটিতে স্থান পাবেন । কিন্তু আশা পূর্ণ না হওয়ায় তাদের ভীষণ মন খারাপ। আবার অনেক আলোচিত-সমালোচিতরা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ স্থান বাগিয়ে নেওয়ায় সিলেটে তৃণমূলে সমালোচনার ঝড় চলছে।
জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পেলেন যারা :
সভাপতি অ্যাডভোকেট লুত্ফুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান। সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সহসভাপতি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপি, আশফাক আহমদ, অ্যাডভোকেট শাহ ফরিদ আহমদ, অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, ড. আহমদ আল কবীর, ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ছাদ উদ্দিন আহমদ, অ্যাডভোকেট শাহ মোশাহিদ আলী, নাজনীন হোসেন। তিন যুগ্মসাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন : হুমায়ূন ইসলাম কামাল, মো. আলী দুলাল, কবীর উদ্দিন আহমদ। আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজমল আলী, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক হাজী ফারুক আহমদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. মবশ্বির আলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ এফতার হোসেন পিয়ার, দপ্তর সম্পাদক আখতারুজ্জামান চৌধুরী জগলু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজি রইছ আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্বাস উদ্দিন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক আহমদ পলাশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ হিরা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার মিনু, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা কবীর উদ্দিন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এমাদ উদ্দিন মানিক, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী, শ্রম সম্পাদক সাইফুর রহমান খোকন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শামসুল আলম সেলিম, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক মো. শাকির আহমদ শাহীন। তিন সাংগঠনিক সম্পাদক হচ্ছেন অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান, সাইফুল আলম রুহেল, অ্যাডভোকেট রণজিত্ সরকার। উপদপ্তর সম্পাদক মো. মজির উদ্দিন, উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মতিউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ শমসের জামাল। নির্বাহী সদস্যরা হলেন—অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, ইমরান আহমদ এমপি, লোকমান উদ্দিন আহমদ, মো. ইব্রাহিম, হাজী আবদুল হাসিব মনিয়া, মোস্তাকুর রহমান মফুর, মো. নিজাম উদ্দিন, লুত্ফুর রহমান, সরওয়ার হোসেন, আবু জাহেদ, আখলাকুর রহমান চৌধুরী সেলিম, সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহাদত রহিম, আবদাল মিয়া, অ্যাডভোকেট বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম, শহিদুর রহমান শাহীন, আনহার মিয়া, আবদুল বাছিত টুটুল, নূরে আলম সিরাজী, কামাল আহমদ, এম কে শফি চৌধুরী এলিম, আবদুল বারী, আবু হেনা মো. ফিরোজ আলী, আমাতুজ জোহরা রওশন জেবিন, জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট আফসর আহমদ, অ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মনসুর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা লুত্ফুর রহমান লেবু, জাহাঙ্গীর আলম, শাহিদুর রহমান চৌধুরী, হাজি আবুল লেইছ চৌধুরী, গোলাপ মিয়া ও ডা. নাজরা আহমদ চৌধুরী।
মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান পেয়েছেন যারা :
সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সমপাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন। সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মফুর আলী, সহসভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালিক, জি এম জেড কয়েস গাজী, ফয়জুর রহমান আলোয়ার, বিজিত চৌধুরী, নুরুল ইসলাম পুতুল, প্রদীপ ভট্টাচার্য্য, মো. ছানাওর, হেলাল বক্স, জগদীশ চন্দ্র দাশ। তিন যুগ্মসাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন—এ টি এম হাসান জেবুল, আজাদু রহমান আজাদ, বিধান কুমার সাহা। আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বেলাল উদ্দিন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক তপন মিত্র, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গোলাম সোবহান চৌধুরী দিপন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মখলিছুর রহমান কামরান, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম এহিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুর রহমান জামিল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আজহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মহি উদ্দিন লোকমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আসমা আহমদ (সাবেক কাউন্সিলর), মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মো. জোবের খান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সেলিম আহমদ সেলিম, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক প্রদীপ পুরকায়স্থ, শ্রম সম্পাদক আজিজুল হক মঞ্জু, সাংস্কৃতিক সমপাদক রজত কান্তি গুপ্ত, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. হোসেন রবিন। তিন সাংগঠনিক সম্পাদক হচ্ছেন যথাক্রমে অ্যাডভোকেট সৈয়দ
শামীম আহমদ, অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ সেলিম ও ডা. আরমান আহমদ শিপলু। উপদপ্তর সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী রণি, উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শোয়েব আহমদ, কোষাধ্যক্ষ লায়েক আহমদ চৌধুরী। সদস্যরা হলেন—ড. এ কে আবদুল মোমেন এমপি, আজম খান (কাউন্সিলর), এস এম আবজাদ হোসেন আমজাদ, দিবাকর ধর রাম, আবদুল আহাদ চৌধুরী মিরণ, প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর, মো. আবদুল আজিম জুনেল, নুরুন নেছা হেনা, শান্তনু দত্ত সন্তু, আজম খান (মজুমদারী), মো. শাহজাহান, মোক্তার খান, অ্যাডভোকেট জাহিদ সরওয়ার সবুজ, রাহাত তরফদার, এমরুল হাসান, সুদীপ দে, সাব্বীর খান, সৈয়দ কামাল, সাইফুল আলম স্বপন, তাহমিন আহমদ, রোকসানা পারভিন, ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, জাফর আহমদ চৌধুরী, লিপন বক্স (কাউন্সিলর), জামাল আহমদ চৌধুরী, খলিল আহমদ, আবুল মহসিন চৌধুরী মাসুদ, মহসিন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান সুহেদ, শিপা বেগম সুপা, এড. তারান্নুম চৌধুরী, জুমাদিন আহমদ, রকিবুল ইসলাম ঝলক (কাউন্সিলর), মাহফুজ চৌধুরী জয় ও ইলিয়াছ আহমদ জুয়েল।
