কুমিল্লার হোমনায় ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী স্বামীকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় চার যুবক এবং শিশু ধর্ষণের চেষ্টায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে কৃষক লীগ নেতা ও নাটোরের গুরুদাসপুরে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
হোমনা (কুমিল্লা) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার চারকুরিয়া গ্রামে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী স্বামীকে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে তার প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে (২২) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে চার যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো—একই গ্রামের মো. হাসান, মো. রাসেল, মো. ইউসুফ প্রকাশ বাদশা ও মো. সোহাগ মিয়া। হোমনা-মেঘনা সার্কেলের সিনিয়র এএসপি মো. ফজলুল করিম জানান, গত ২৯ ডিসেম্বর রাতে আসামি হাসান তার সঙ্গীদের নিয়ে রাতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী দম্পতির ঘরে ঢুকে। এ সময় স্বামীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি এবং প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে ৫০০ টাকা ও নতুন জামা কিনে দেওয়ার কথা বলে তারা পালাক্রমে রাতভর ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার রাতে আসামিদের আটক ও ভিকটিমকে উদ্ধার করি। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় হাসান এর আগেও ঐ গৃহবধূকে কয়েকবার ধর্ষণ করে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।
কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার শাহজাদপুর গ্রামে দিনমজুরের কন্যা শিশুকে (৭) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ইউছুপ মানিক (৫৫) নামে এক কৃষক লীগ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। জানা যায়, রবিবার দুপুরে কৃষক লীগ নেতা ইউছুপ মানিক মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির ঐ ছাত্রীকে এলাকার গাইন বাড়ির উত্তর পাশের একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তার চিত্কারে আশপাশের লোকজন এসে অভিযুক্ত মানিককে আটক করে। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
গুরুদাসপুর (নাটোর) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার ইদিলপুর গ্রামে শনিবার ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবদুল জলিল (৫২) নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আপসের কথা বলে দিনভর সময়ক্ষেপণের পর শনিবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা গুরুদাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই জলিলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গেছে, স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ঐ ছাত্রীকে বাড়িতে একা পেয়ে আবদুল জলিল কৌশলে বাড়ির ভেতরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। গতকাল দুপুরে অভিযুক্তকে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
