এরকম শীতে দার্জিলিং, সিকিম আর কাঠমান্ডুর কথাই বুঝি বেশি মনে পড়ে। এসব জায়গার প্রাকৃতিক দৃশ্যের মতো খাবারের স্বাদও অনন্য। যারা এসব জায়গায় ইতোমধ্যে ঘুরে এসেছেন, তারা তা জানেন—আর যারা যাননি তাদের কাছে কৌতূহল মেটাতে দুটি মজাদার পাহাড়ি রেসিপি নিয়ে এবারের আয়োজন
নাপিও ফা
উপকরণ :মুরগি ১টা, আদা বাটা (ছেঁচা) ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৮টি, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, গরম মসলা ১ চা চামচ, তেল ১/২ কাপ, কলাপাতা বড় ১টি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি :মুরগি ছোট করে কেটে ধুয়ে নিন। এরপর টুকরো মুরগির মাংসের সঙ্গে সব মসলা মেখে নিন। কলাপাতা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। কলাপাতা ৩ পরত করে তাতে মুরগি মাখা রেখে মুড়ে নিতে হবে। এরপর সুতা দিয়ে ভালো করে বেঁধে নিতে হবে। মুড়ানো কলাপাতা একটা স্টিলের বাটির মধ্যে রাখতে হবে। তারপর প্রেসার কুকারে অল্প পানি দিয়ে বাটিটি বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিতে হবে। ৩০ মিনিট সামান্য আঁচে জ্বাল দিয়ে রান্না করতে হবে।
মোমো
উপকরণ :
মোমোর ডো— ময়দা ১ কাপ, তেল ১ টেবিল চামচ, বেকিং পাউডার ১ চিমটি, লবণ ও পানি পরিমাণমতো। স্টাফিং— কিমা ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ১ চা চামচ, সয়াসস ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ২ চা চামচ, জায়ফল ১ চিমটি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি :
স্টাফিং— স্টাফিংয়ের জন্য সব একসঙ্গে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিন।
মোমো— ময়দায় সব একসঙ্গে মাখিয়ে নিন। ছোট ছোট করে লেচি কেটে পাতলা করে বেলে নিন। এরমধ্যে ১ টেবিল চামচ পুর ভরে কুচির মতো করে ভাঁজ দিন। গোল করে ভাঁজের মাথাটা মুড়ে নিন। মোমো গড়া হয়ে গেল। একটি ডেকচিতে পানি ফুটতে দিন। পানি ফুটলে তার উপর একটা স্টিলের ঝাঁজরি বসান। তার ওপর মোমো রেখে ঢাকনা দিন। ২৫ মিনিট রাখলেই মোমো হয়ে যাবে।
চাটনি— ধনে পাতা, পুদিনা পাতা, কাঁচামরিচ, টমেটো, ক্যাপসিকাম ও তেঁতুল একসঙ্গে বাটুন। লবণ ও চিনি মেশান। এবার গরম গরম মোমো চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন।
