বঙ্গবন্ধু ফিরে না এলে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ত :আমু

আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২১, ২২:০৮

বঙ্গবন্ধুবিহীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিল অপূর্ণ :তোফায়েল

ইত্তেফাক রিপোর্ট

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব স্থিতিশীলতা লাভ করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধু ফিরে না এলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ত। স্বাধীনতার পর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে থাকা অস্ত্র সমর্পণ, মিত্র বাহিনীর সদস্যদের ভারতে ফেরত পাঠানো অসম্ভব হয়ে পড়ত।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধুবিহীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিল অপূর্ণ। তার ফিরে আসার মধ্যদিয়ে বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষা পরিপূর্ণতা পায়। জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করতে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অতীব জরুরি ছিল। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের শক্তিশালী রাষ্ট্রের বুনিয়াদ তৈরি করে গেছেন বঙ্গবন্ধু্। তিনি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশে আর সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ঘটত না।

 জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে স্বাধীন দেশে ফিরে রেসকোর্সের ময়দানে দেওয়া জাতির পিতার ভাষণে একটি স্বাধীন দেশ পরিচালনার সবরকম দিক-নির্দেশনা ছিল। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র স্বাধীনতার আগেও ছিল, পরেও ছিল, এখনো চলছে। তবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী প্রমুখ।