সিলেটে বিদ্যুত্ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাউকে এককভাবে দায়ী করেনি ঐ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি। তবে কমিটি মনে করে—১৯৬৭ সালে স্থাপিত উপকেন্দ্রটির প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন না করা এবং কর্তৃপক্ষের সঠিক পরিকল্পনা ও যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে। গতকাল সোমবার বিদ্যুত্, জালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক বিদ্যুত্ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রহমত উল্লাহ্ মো. দস্তগীর প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়েছে। গত বছরের ১৭ নভেম্বর সকালে সিলেটের কুমারগাঁও ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রে এই অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটে। এতে সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে প্রায় এক সপ্তাহ বিদ্যুত্ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
সভায় বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অনলাইনে যুক্ত হয়ে বলেন, গ্রাহকসেবা বৃদ্ধিকল্পে সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থার আধুনিকায়নে গৃহীত পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। দক্ষতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। লোকবল স্বল্পতার দোহাই দেওয়া হয়; কিন্তু নিজেদের আপগ্রেড করার বিষয়ে কাউকেই ততটা আন্তরিক মনে হয় না। তিনি বলেন, সিলেট অঞ্চলে বিদ্যুত্ বিভ্রাটের ফলে জনগণের যে অবর্ণনীয় কষ্ট ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তার জন্যও সংশ্লিষ্টরা দায় এড়াতে পারে না।
ভার্চুয়াল এই সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদু্যুত্সচিব মো. হাবিবুর রহমান, পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন ও পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম কিবরিয়া।
