প্রমোদতরি বে-ওয়ানে হজযাত্রীও পরিবহন করা যাবে

আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৪৯

বে-ওয়ান ক্রুজ শিপের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের পরিবহন করা যাবে। সরকার অনুমতি দিলে এর মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে হজযাত্রীদের নিয়ে সৌদি আরব পৌঁছানো সম্ভব হবে। এটি দ্বারা ভারত, ব্যাংককসহ পার্শ্ববর্তী দেশসমূহেও ভ্রমণপিপাসু যাত্রীদের পরিবহন করার সুযোগ রয়েছে।

বে-ওয়ান প্রমোদতরির বিষয়ে গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ রশিদ ওপরের কথাগুলো বলেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশের পযর্টনশিল্পের উন্নয়নে জাপান থেকে বিলাসবহুল জাহাজ বে-ওয়ান ক্রুজ শিপ দেশে আনা হয়েছে। এটি দেশের পযর্টনশিল্পের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

জাপানের কোবে শহরের মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজে তৈরি করা বিলাসবহুল এই প্রমোদতরি বঙ্গোপসাগরে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে আগামী ১৪ জানুয়ারি। চট্টগ্রাম থেকে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে এটি রওনা হবে ঐদিন রাত ১১টায়। বে-ওয়ান ক্রুজ পতেঙ্গা ওয়াটার বাস টার্মিনাল থেকে সপ্তাহে তিন দিন সেন্টমার্টিন রুটে চলাচল করবে।

জাপান থেকে আনা বিলাসবহুল এই জাহাজে ১৭ জন ক্রু ছাড়াও যাত্রীসেবায় নিয়োজিত থাকবেন আরো অতিরিক্ত ১৫০ ক্রু। ৪৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৫৫ ফুট প্রস্থের এই জাহাজের উত্তাল সমুদ্র মোকাবিলার সক্ষমতা আছে। এর যাত্রীর ধারণক্ষমতা ২ হাজার। এটি ঘণ্টায় ২৪ নটিক্যাল মাইল বেগে চলবে। এতে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট সুট, বাংকার বেড কেবিন, টু ইন বেড কেবিন, আরামদায়ক চেয়ারসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির আসন। আরো রয়েছে একটি অভিজাত রেস্তোরাঁ, স্বয়ংক্রিয় ভেন্ডিং মেশিন এবং কয়েন পরিচালিত ঝরনা। দ্রুতগতির জাহাজ বে-ওয়ান চালুর মাধ্যমে পর্যটকরা কম সময় এবং নিরাপদে সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি জাহাজে রাতযাপনের মাধ্যমে সমুদ্র বিনোদন ও উপভোগের সুযোগ পাবেন। এতে পর্যটন শিল্পে নতুনমাত্রা যুক্ত হবে। করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করেই যাত্রীদের পরিবহন করা হবে।