কালীগঞ্জ (গাজীপুর) সংবাদদাতা
গাজীপুরের কালীগঞ্জে নিখোঁজের ২৩ দিন পর ৯ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধারের পর জানা যায় ঐ স্কুলছাত্রীকে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে ডেকে নিয়ে অপহরণের পর একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার আটককৃত ধর্ষক বদরুল আহাম্মদ খানকে গাজীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। ধর্ষক বদরুল জেলার শ্রীপুর উপজেলার নান্দিয়া সাগুন এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুল ইসলাম মোল্লা বিপিএম জানান, মোবাইল ফোনে বদরুলের সঙ্গে ঐ ছাত্রীর পরিচয় হয়। এরপর বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে কথা হতো। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ ডিসেম্বর সকালে ঐ ছাত্রী তার স্কুলে ফলাফল আনতে যায়। পরে আর বাড়ি ফেরেনি এবং তার ব্যবহূত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে ঘটনার দুই দিন পর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এসআই শহিদুল জানান, ঘটনার দিন উপজেলার জাঙ্গালীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে ঐ স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক সিএনজি অটোরিকশাযোগে অপহরণ করে ধর্ষক বদরুল তার এক বন্ধুর ভগ্নিপতির বাড়িতে নিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, ঐ জিডির সূত্র ধরে মোবাইল ফোন ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে রবিবার রাতে পৌরসভার দেওপাড়া এলাকা থেকে ঐ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার এবং ধর্ষক বদরুল আহাম্মদ খানকে আটক করে পুলিশ।
