ঢাবিতে পিএইচডির মূল্যায়নে সফটওয়্যার ব্যবহার হয় কি না জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২১, ০০:৫১

আবেদনকারীদের দাখিল করা পিএইচডি গবেষণা অভিসন্দর্ভ (থিসিস) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে সংরক্ষণ করে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এসব থিসিস মূল্যায়নে কোনো সফটওয়্যার বা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় কি না, তাও দুই মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত এক রিট মামলার শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন। এদিকে হাইকোর্টে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ স্বীয় আইন, বিধি, প্রবিধি, সংবিধি ও নীতিমালা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এমফিল ও পিএইচডিসহ উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করে থাকে। এ বিষয়ে কমিশনের কোনো ভূমিকা নেই। এছাড়া বর্তমানে দেশে সরকার অনুমোদিত ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে ৯৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কমিশন থেকে অদ্যাবধি কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি গ্রোগ্রাম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার ও রিটকারী পক্ষে মো. মনিরুজ্জামান লিংকন শুনানি করেন।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের পিএইচডি গবেষণার ৯৮ শতাংশ নকল’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন। গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ও রুল জারি করে। সেই আদেশের পর ইউজিসি প্রতিবেদন দেয় হাইকোর্টে। এর পরই উপরোক্ত আদেশ দেয় আদালত।