বহুবর্ষজীবী, লতানো, গুল্ম জাতীয় আরোহী উদ্ভিদ। এর অন্য নাম ‘দুধিয়ালতা’। বৈজ্ঞানিক নাম Ichnocarpus frutescens, এটি Apocynaceae পরিবারের উদ্ভিদ। এর পাতা খুবই শক্ত, বাকল লালচে-বাদামি, পশমাবৃত। পাতা সরল, প্রতিমুখ, বোঁটা খাটো। লতা ও পাতা ছিঁড়লে সাদা কষ বের হয়। ফুল ছোট, সবুজাভ সাদা বা ঈষত্ বেগুনি, গন্ধযুক্ত। ফল জোড়ায় জোড়ায় ধরে, সরু। বীজ লম্বা, কালো হয়। বর্ষাকালে ফুল ও ফল হয়। বংশবৃদ্ধি করা যায় বীজ থেকে বা কাটিংয়ের মাধ্যমে। দেশের সব জেলাতেই এই উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যায়।
ভেষজগুণে সমৃদ্ধ। লতা, পাতা, শিকড় ও কষ নানাভাবে ব্যবহূত হয়। প্রসূতি মায়ের বুকের দুধ কম হলে শিকড় বেটে রস খেলে উপকার মেলে। প্রস্রাব কম হলে বা হলুদ হলে শিকড় পাথরে ঘষে রস খেলে উপকার পাওয়া যায়। মূল বলকারক, শীতলকারক, রক্ত পরিষ্কারক। এই উদ্ভিদ জ্বর, চর্মরোগ, রক্তদৃষ্টি, রক্তপ্রদর, একজিমা, বাত ও কীট-পতঙ্গের দংশনে ব্যবহার হয়ে থাকে।
চয়ন বিকাশ ভদ্র
