বিবিসি
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় নতুন আইন করেছে চীন। বিদেশি আইন থেকে দেশীয় কোম্পানিগুলোকে সুরক্ষা দিতেই চীনের এ পদক্ষেপ। এর আওতায় বিদেশি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা কোম্পানিগুলোকে সাজা দিতে পারবে চীনের আদালত।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে আইনটি সম্পর্কে বলেছে, ‘বিদেশের অন্যায্য ও অন্যায় হস্তক্ষেপমূলক আইনের জবাব দিতে এই নতুন আইন করা হয়েছে।’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ক্ষমতার প্রায় পুরোটা সময় জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বর্ণনা করে চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে গেছেন। তিনি ঐ সব কোম্পানিকে সাজা দিয়েছেন, যারা তার নিষেধাজ্ঞায় থাকা কোম্পানিগুলোতে কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ সরবরাহ করেছে।
নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত চীনের তিনটি বৃহত্ টেলিকম ফার্ম সম্প্রতি ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার খাঁড়ায় পড়েছে। চীনের সেনবাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা আছে অভিযোগ তুলে গত নভেম্বরে ট্রাম্প নির্বাহী আদেশে চীনা মোবাইল, চীন টেলিকম এবং চীনা উইনিকম হংকং নামের তিনটি কোম্পনির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। গত সোমবার থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।
এছাড়া ট্রাম্প গত মাসে আটটি চাইনিজ অ্যাপ নিষিদ্ধ করেন, যেগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় পেমেন্ট প্ল্যাটফরম আলিপে ও উইচ্যাট পে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিযোগ, এ ধরনের প্রযুক্তি কোম্পানি চীন সরকারকে তাদের গ্রাহকদের সম্পর্কে তথ্য দেয়। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
