স্পোর্টস রিপোর্টার
গোড়ালির চোট কাটিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে কয়েকটি ম্যাচ খেলেছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। টুর্নামেন্টের পরও রিহ্যাবের কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের আগে এখন পুরোপুরি ফিট সাইফউদ্দিন। সিরিজ খেলতে প্রস্তুত হলেও মানসিকভাবে দলে, একাদশে সুযোগ পাওয়া নিয়ে চিন্তিত তরুণ এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলে অপরিহার্য সদস্য এখন সাইফউদ্দিন। নতুন, পুরাতন বলে অধিনায়কের আস্থার জায়গা তিনি। তারপরও কিছুটা দুশ্চিন্তা ভর করেছে ২৪ বছর বয়সি এই ক্রিকেটারের মনে। কারণ প্রাথমিক দলে সাইফউদ্দিনসহ সাত পেসার রয়েছেন। পেসারদের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেলে দলে, একাদশে জায়গা পাওয়া সহজ হবে না, এমনটাই ধারণা সাইফউদ্দিনের।
গতকাল পেসারদের ফর্মে ফেরা সম্পর্কে বলতে গিয়ে এই তরুণ ক্রিকেটার বলেছেন, ‘শেষ দুইটা টুর্নামেন্ট বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে আমাদের পেসাররা অনেক ভালো করেছে। এ কারণে এই জায়গাটায় আমাদের বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, দলে সুযোগ পাওয়া বা সেরা একাদশে সুযোগ পাওয়া। এ জন্য নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি বাকিটা আল্লাহর হাতে।’
বিসিবির ফিজিও, ট্রেনারদের সহযোগিতায় টানা তিন সপ্তাহ কাজ করে পুরো ফিট হয়েছেন সাইফউদ্দিন। নিজের ফিটনেসের অবস্থা জানাতে গিয়ে গতকাল বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো, খুব চিন্তিত ছিলাম সিরিজের আগে রিকভারি করে উঠতে পারব কি না। বায়েজিদ ভাই অনেক সাহায্য করেছেন, আমাদের ট্রেনার শাওন ভাই ছিল, ফিজিও অনেক সাহায্য করেছে। উনাদের নির্দেশনা মতে, শেষ কয়েক দিন হার্ড অ্যান্ড সোল ট্রাই করেছি, সবমিলিয়ে ভালো।’
গত তিন দিন শতভাগ দিয়েই ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং করেছেন সাইফউদ্দিন। কোনো সমস্যা হয়নি। প্রস্তুতি ম্যাচসহ অনুশীলন সেশনগুলোতে কাজ করে নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুত করতে চান তিনি।
প্রায় ১০ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই সিরিজ নিয়ে তাই উদ্দীপ্ত সাইফউদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘অনেক খুশির বিষয়, প্রকাশ করার মতো না। ঘরবন্দি ছিলাম, এর মধ্যে ঘরোয়া খেললাম। আসলে জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা সবসময় গর্বের বিষয়। যেহেতু ঘরের মাঠে আমাদের হোম সিরিজ তাই বাড়তি উদ্দীপনা জোগাচ্ছে আমাদের।’
