আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণায় প্রার্থীদের মুখে মুখে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি। জনগণের, নগরীর উন্নয়নের নানা আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের দোয়া ও আশীর্বাদ নিচ্ছেন। পোস্টারে পোস্টারে চেয়ে গেছে নগরীর রাজপথ ও অলি-গলি।
গতকাল মঙ্গলবার গণসংযোগে চসিক নির্বাচনে ভোটারদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট কেন্দে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। গণসংযোগকালে বিভিন্ন স্থানে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, দেশ-জাতি ও চট্টগ্রামের স্বার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগ দিতে প্রস্তুত আমি। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণপণ রেখে হানাদারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়ে গেছেন কি করে মানুষকে ভালোবাসতে হয়, কি করে মানুষের কল্যাণ করতে হয়। আমরা রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য, মেয়র হতে চাই মানুষের সেবা করার জন্য। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সিটি হিসেবে গড়তে চান। চট্টগ্রামের মানুষের জীবনমানের উন্নতি করতে চান। চট্টগ্রামের মানুষের সেবা করার জন্য, গুরুত্বসম্পন্ন উন্নত বিশ্বমানের চট্টগ্রাম গড়ার জন্য তিনি আমার প্রতি আস্থা রেখে মেয়র পদে মনোনয়ন ও নৌকা প্রতীক দিয়ে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছেন ভোট চাইতে।
গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মো. বেলাল উদ্দিন প্রমুখ।
এদিকে গণসংযোগকালে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। জনগণের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিমুক্ত রাখায় আমাদের কাছে মুখ্য। চট্টগ্রাম এখন করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে, এটি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামে ক্যানসার রোগীও দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। তাই চট্টগ্রামবাসীর নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত একটি শহরের জন্য আমরা জনগণের দল হিসেবে জনগণের পাশে আছি এবং থাকব। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে ইনশাল্লাহ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রামে একটি আধুনিক বিশেষায়িত করোনা মহামারি হাসপাতাল এবং একটি ক্যানসার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করব।
