ঢাকায় কর্মকর্তার ৫টি বাড়ি গাজীপুরে ৩০ একর জমি

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:১৫

ঢাকা পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী মো. রমিজ উদ্দিন সরকারের নামে ‘বিপুল’ পরিমাণ অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে দুদক একটি টিম গঠন করেছে। গতকাল রবিবার দুদক থেকে প্রকৌশলী মো. রমিজ উদ্দিন সরকার ও তার স্ত্রী সালমা পারভীনের কাছে সম্পদের বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক ঋত্বিক সাহা স্বাক্ষরিত নোটিসে আগামী সাত দিনের মধ্যে তাদের সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের শেষ দিকে রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ আসে। এরপর প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান এ অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে রমিজ উদ্দিন সরকারের নামে রাজধানীতেই পাঁচটি বাড়ি, গাজীপুরে ৩০ একর জমি এবং তার জন্মভূমি কুমিল্লাতে বহু একর জমি রয়েছে। অন্যদিকে রমিজ উদ্দিনের স্ত্রী সালমা পারভীনের নামেও কুমিল্লাতে জমিজমা থাকার তথ্য প্রমাণ পেয়েছে দুদকের অনুসন্ধান টিম।

অভিযোগের ব্যাপারে দুদক সূত্র জানায়, প্রকৌশলী রমিজ উদ্দিনের নামে রাজধানীর উত্তরার ৫নং সেক্টরের ২নং রোডে সাততলা একটি বাড়ি আছে। আর মিরপুরের পূর্ব মনিপুর ১৩০৭/ডি ছয়তলা, মিরপুরের ২৮ মল্লিকা মিল্কভিটা রোডে চারতলা ফ্ল্যাট বাড়ি, রামপুরা মহানগর হাউজিংয়ে ৮নং রোডের ডি ব্লকে ২০২নং ৪ দশমিক ৫ কাঠা জমির ওপর পাঁচটি দোকান ও টিনসেড বাড়ি এবং পূর্ব রামপুরা ১৭৭/৫/১ এলাকায় ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ জমির ওপর বাড়ি করেছেন রমিজ উদ্দিন। ‘এছাড়া টঙ্গী ও গাজীপুরে নামে-বেনামে রমিজ উদ্দিনের ৩০ একর জমি রয়েছে। কুমিল্লায় গ্রামের বাড়িতেও রয়েছে একরে একরে জমি। জেলার মুরাদনগরে স্ত্রী সালমা পারভীনের নামে রয়েছে ৫০ বিঘা জমি।’

অপর দিকে পুঁজিবাজারে এই দম্পতির নামে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ ছাড়াও নামে-বেনামে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করা আছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। এছাড়া রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে গাজীপুরে জমি বিক্রি করে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার এবং পরে বাংলাদেশে ফেরত আনার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুদক।