ব্রিটেনের প্রিন্স চার্লস বৈশ্বিক কার্বন নিঃসারণ ২০৩৫ সালের মধ্যেই শূন্যে নামিয়ে আনতে চান। এর আগে এই লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং বিশ্বকে নিরাপদ রাখতে তিনি এই সময় এগিয়ে নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে প্রিন্স চার্লস এই আহ্বান জানান।
প্রিন্স অব ওয়েলস চার্লস ‘আর্থ চার্টার’ নামে একটি অভিযান শুরু করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি ২০২২ সালের মধ্যে সবুজায়নে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চান। চার্লসের এই অভিযানে ১০০টি প্রস্তাব রয়েছে যা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো গ্রহণ করতে পারে। সিএনএনকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাত্কারে চার্লস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে আমাদের আরো উচ্চাকাঙ্ক্ষা বজায় রাখতে হবে। তার মতে, ২০৫০ নয়, ২০৩৫ সালের মধ্যেই বিশ্বে কার্বন নিঃসারণের পরিমাণ শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে। তিনি বলেন, খুব কমসংখ্যক কোম্পানি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় উদ্যোগ নিয়েছে। আরো বেশি করে কাজ করতে হবে বিশ্বের পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে। প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের আবারও ফিরে আসার অঙ্গীকারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা সম্ভব হবে। প্রিন্স চার্লসের উদ্যোগকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে ব্যাংক অব আমেরিকা এবং ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম (বিপি)। এছাড়া ব্ল্যাকরক, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ইরয়াই, ইউনিলিভার, হিথ্রো এয়ারপোর্ট, এইচএসবিসি এবং ফিডেলিটি ইন্টারন্যাশনালও এই উদ্যোগের সঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছে।
