গলে স্পিনযুদ্ধের আভাস

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২১, ২২:০০

গলের উইকেট মানেই স্পিন স্বর্গ। সে সুবাদে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্টে মঈন আলীর একাদশে থাকা নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু সফরে এসেই করোনা আক্রান্ত হওয়ায় খেলতে পারছেন না ঘরের মাটিতে ব্রাত্য হয়ে থাকা এই স্পিনিং অলরাউন্ডার। মঈনকে হারিয়ে তাই শুরুর আগেই অনাকাঙ্ক্ষিত চাপে পড়ল ইংলিশরা।

দুই দলের মধ্যকার এই সিরিজটি হওয়ার কথা ছিল গত বছরের মার্চে। কিন্তু করোনার প্রকোপে সিরিজ স্থগিত করে দেশে ফিরে যায় ইংল্যান্ড।

২০১৮ সালে সবশেষ শ্রীলঙ্কা সফরটা অসাধারণ ছিল জো রুটের দলের। তিন টেস্টেই লঙ্কানদের হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ দেয় তারা। সেবার অন্যতম ভূমিকা পালন করেন তিন স্পিনার জ্যাক লিচ, আদিল রশিদ ও মঈন। লিচ ও মঈন সর্বোচ্চ ১৮ উইকেট নিয়ে ছিলেন সেরা বোলার।

মঈন না থাকলেও ২০১৮-র পুনরাবৃত্তি করতে লিচের সঙ্গী ডম বেসের ওপর আস্থা রাখছেন রুট। ইংল্যান্ড অধিনায়ক বলেন, ‘উইকেটে টার্ন শুরু হলে অবশ্যই তারা উইকেটের আশা করবে। শেষ ট্যুরে লিচ বেশ সাফল্য পেয়েছে। ডমেরও ভালো অভিজ্ঞতা আছে। কন্ডিশন তাদের উপযোগী হলে আত্মবিশ্বাসটাও বাড়বে।’ররি বার্নস, বেন স্টোকস, জোফরা আর্চার ও রশিদকে ছাড়াই লঙ্কায় পা রেখেছে ইংলিশরা। তা দেখে স্বস্তিতেই আছে দিমুথ করুনারত্নের দল। কিছুদিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে হোয়াইটওয়াশ হয়ে ফিরেছে তারা। দুই টেস্টের ঐ সফরটি পরিণত হয়েছিল ইনজুরির মিছিলে। তবে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, সুরাঙ্গা লাকমল, লাহিরু কুমারারা ফিট হওয়ার আত্মবিশ্বাসে খানিকটা উন্নতি হয়েছে লঙ্কানদের। আর ভরসাযোগ্য স্পিনাররা তো আছেনই।তাই গল টেস্টে স্পিন যুদ্ধেরই আভাস দিয়ে রাখলেন লঙ্কান উইকেট কিপার নিরোশান ডিকভেলা, ‘২০১৮-র তুলনায় এবার আমাদের সুযোগটা বেশি ভালো। কারণ এবার আর্চার, স্টোকস ও আরো কিছু খেলোয়াড় নেই। আমাদের শুধু স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হবে। যেটা আমরা গলে করে থাকি।’