আগামী ১৬ জানুয়ারি পৌরসভা নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের পরপরই জমে উঠেছে ভবানীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনী প্রচারণা। বড় দুই দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও জাতীয়তাবাদী বিএনপির একক প্রার্থী ছাড়াও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন আরো দুজন। উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মালেক মণ্ডল (নৌকা)। বিএনপির পক্ষে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি আবদুুর রাজ্জাক প্রাং (ধানের শীষ)। স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ভবানীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন (জগ) ও কামাল হোসেন (নারিকেল গাছ)। সাধারণ ভোটাররা জানান, এখানে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল মালেক মণ্ডল, বিএনপির প্রার্থী আবদুল রাজ্জাক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশিদ মামুনের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তাফা জানান, সংরক্ষিত তিনটি আসনে ১৩ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলরের ৯টি পদে ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মনোহরদী পৌরসভায় জমে উঠেছে প্রচারণা
মনোহরদী (নরসিংদী) সংবাদদাতা জানান, আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য মনোহরদী পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারণা জমে উঠেছে। এবারই প্রথম ইলেট্রনিক ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হবে। আওয়ামী লীগের পক্ষে নৌকা প্রতীকে বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ সুজন, বিএনপির পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে মাহমুদুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষে হাতপাখা প্রতীকে আ. মান্নান মনোনয়ন পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন ইমরান আহমেদ (মোবাইল ফোন)। মনোহরদী উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, ৯টি ওয়ার্ডে ৯টি কেন্দ্রে মোট ৪০ বুথের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে।
কাঁকনহাটে দ্বিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা
গোদাগাড়ী (রাজশাহী) সংবাদদাতা জানান, ১৬ জানুয়ারি কাঁকনহাট পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে তিন জন, ৯ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৫৩ জন ও সংরক্ষিত তিনটি ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের এ কে এম আতাউর রহমান খান নৌকা প্রতীক, বিএনপির হাফিজুর রহমান ধানের শীষ, প্রতীক, জাতীয় পার্টির রুবন হোসেন লাঙ্গল প্রতীক। মাইকিং, ফেস্টুন, ব্যানার, পোস্টার, লিফলেটের মাধ্যমে প্রচারণার পাশাপাশি ভোটাদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। স্থানীয় নির্বাচন পর্যপেক্ষকরা বলছেন, কাঁকনহাট পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে মূলত লড়াই হবে। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মসিউর রহমান বলেন, ১৬ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের জন্য সব ধরনের প্রস্ততি গ্রহণ করা হয়েছে।
বেলকুচিতে শেষ মুহূর্তের প্রচারণা তুঙ্গে
বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, বেলকুচি পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারণা এখন তুঙ্গে। দেশব্যাপী পৌর নির্বাচনের ২য় ধাপে ১৬ জানুয়ারি এ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখানে মেয়র পদে তিন জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪১ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। প্রার্থীরা শীত উপেক্ষা করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। তিন জন মেয়রপ্রার্থী হলেন, বর্তমান মেয়র বেগম আশানুর বিশ্বাস (নৌকা), বিদ্রোহী প্রার্থী মো. সাজ্জাদুল হক রেজা (নারিকেল গাছ), বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাজি আলতাফ হোসেন প্রামাণিক (ধানের শীষ)। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আশরাফুল হক জানান, পৌরসভা নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
