যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে। নতুন বছরের প্রথম দুই সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩৮ হাজারের বেশি মার্কিনির মৃত্যু হয়েছে। আগামী তিন সপ্তাহে আরো ৯২ হাজারের বেশি মানুষ মারা যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) এক পূর্বাভাসে এ কথা বলা হয়েছে।
সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, এ সংখ্যা খুবই ভীতিকর। করোনার টিকা প্রয়োগ চলছে। মহামারি শেষ হওয়ার আশা করা হলেও খুবই চ্যালেঞ্জিং সময়ের মুখে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কোভিড ট্রাকিং প্রজেক্টের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। পেনসিলভেনিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা গত বসন্তের পিকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। লুইজিয়ানা, অ্যারিজোনাতে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিতে প্রতি তিন জনের এক জন করোনা আক্রান্ত। যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৮৪ হাজারের বেশি মানুষের। দেশটিতে ১ কোটি ২ লাখের বেশি মানুষ গতকাল পর্যন্ত করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।
জার্মানিতে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটিতে বুধবার এক দিনেই মৃত্যু হয়েছে রেকর্ড ১ হাজার ২৪৪ জনের। আর এদিন আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ হাজারের বেশি মানুষ। বর্তমানে ৫ হাজার ২০০ রোগী আইসিইউতে চিকিত্সাধীন। এদিকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস।
অন্যদিকে যারা এরই মধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের ‘ইম্যুনিটি’ পাঁচ মাসের মতো থাকতে পারে বলে এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের করা এক গবেষণায় প্রাথমিকভাবে এ ফল পাওয়া গেছে।
