বিভাগীয় শহর বরিশালে করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষণের সব ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও ভ্যাকসিন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বরিশালের সিভিল সার্জন। শুধু গর্ভবতী ও ১৮ বছরের কম বয়সিরা এই ভ্যাকসিনের আওতায় পড়বে না বলে জানান তিনি। যারা ভ্যাকসিনের আওতায় পড়বে তাদের তথ্য একটি অ্যাপসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। ভ্যাকসিন প্রয়োগে স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের মাধ্যমে হাসপাতাল থেকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। প্রথম পর্যায়ে ভ্যাকসিন পাবেন স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সংবাদকর্মী, বয়স্ক এবং সরকারের তালিকাভুক্তরা। বরিশালের সিভিল সার্জন ডা. মো. মনোয়ার হোসেন জানান, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নিচতলার একটি কক্ষে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে ভ্যাকসিন রাখার জন্য স্টিলের সেলফ বসানো হয়। একই কক্ষে আইস ল্যান্ড রেফ্রিজারেটর (আইএলআর) সিস্টেমেও ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা যাবে। কক্ষে ভ্যাকসিন সংরক্ষণের ধারণক্ষমতা ১ লাখ থেকে সোয়া ৪ লাখ পর্যন্ত এবং আইএলআরে ধারণক্ষমতা ৭ হাজার ১০০ ভায়েল। প্রতিটি ভায়েলে ১০টি করে ডোজ থাকবে। সিভিল সার্জন আরো জানান, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও করোনার ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা যাবে। সেখানে আগে থেকেই আইএলআরের মাধ্যমে ঐ তাপমাত্রায় ভ্যাকসিন সংরক্ষণ হতো। করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য বর্তমানে ব্যবহূত ভ্যাকসিন সরিয়ে তা খালি করা হচ্ছে। যাতে করোনা ভ্যাকসিন আসার সঙ্গে সঙ্গে তা সংরক্ষণ করা যায়। বরিশালে প্রথম পর্যায়ে ৬০ থেকে ৮০ ভাগ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকার আওতায় যারা থাকবে এবং যাদের টিকা দেওয়া হবে এসব তথ্য স্থানীয়ভাবে অনলাইনে মাইক্রো প্ল্যানিং অ্যাপসে আপলোড দেওয়া হবে। এতে যে কেউ এ তথ্য জানতে পারবে বলে সিভিল সার্জন জানান।
