নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যত্ নিয়ে শঙ্কিত ইভাঙ্কা

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৫০

নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরাজয়, ক্যাপিটলে হামলা ও প্রতিনিধি পরিষদে দ্বিতীয়বার অভিশংসনের পর নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যত্ নিয়ে অনেকটাই চিন্তিত ট্রাম্পকন্যা ইভাঙ্কা। চার বছর আগে নিউইয়র্ক থেকে পরিবারসহ ওয়াশিংটনে এসেছিলেন ইভাঙ্কা ট্রাম্প। তার স্বামী জ্যারেড কুশনার বিশ্ব রাজনীতিতে একজন শক্তিশালী ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন। আর ইভাঙ্কা নিজেই একদিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন লালন করছিলেন। কিন্তু সব কিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। কারণ উচ্চাকাঙ্ক্ষী এই দম্পতি ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির লজ্জাজনক সমাপ্তি দেখছে।

সিএনএনের এক খবরে বলা হয়েছে, ক্যাপিটলে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র      জুড়ে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। উসকানি দেওয়ার জন্য ট্রাম্পকে আবারও অভিশংসিত করা হয়েছে। টুইটারসহ জনপ্রিয় সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনীতিতে স্বপ্নপূরণের জন্য ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও জ্যারেড কুশনারকে এই লজ্জাজনক পরিণতিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে।

হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা বলেন, ইভাঙ্কা ওয়াশিংটনে এসেছিলেন দেশকে কিছু দিতে। তিনি কর্মঠ পরিবারগুলোকে সাহায্য করতে নীতিমালা নিয়ে লড়েছেন। ইভাঙ্কা তার সেবার জন্য গর্বিত এবং ভবিষ্যত্ নিয়ে উচ্ছ্বসিত। শেষ দিনগুলোতে এই দম্পতি ট্রাম্পকে বিভিন্ন উপদেশ দিয়েছেন। অন্য অনেকের মতো ইভাঙ্কাও তার বাবাকে টুইটারে ভিডিও পোস্ট করতে চাপ দিয়েছিলেন। যাতে ট্রাম্প সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। যদিও সূত্র বলছে, তারা (ইভাঙ্কা ও জ্যারেড) ট্রাম্প ব্র্যান্ডের সামান্য যা অবশিষ্ট আছে, তা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এ কারণেই ‘বিদ্রোহের আগে’ ট্রাম্পের যে সুর ছিল, তা পালটে গেছে। এছাড়া ইভাঙ্কা ট্রাম্প, তার ভাই ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্প এখন ভীষণ চিন্তিত। এর প্রমাণ, তাদের চুপ থাকা।

জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর ইভাঙ্কা-জ্যারেড দম্পতির ফ্লোরিডায় চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুঞ্জন আছে ২০২২ সালে ফ্লোরিডার রিপাবলিকান সিনেটর মারকো রুবিওকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন ইভাঙ্কা ট্রাম্প। ক্যাপিটলে হামলার আগে সেখানে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তাও ছিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এখনো ফ্লোরিডায় জেতার সম্ভাবনা আছে ইভাঙ্কার। সেখানকার মানুষ বেশ ক্ষমাশীল। তবে ইভাঙ্কা হয়তো আগামী বছর নির্বাচন না করে সাত বছর পরে করতে পারেন।