বর্তমানে ভোটার ১১ কোটি ১২ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৮

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৫০

খসড়া ভোটার তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ১২ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৮ জন। ২০২০ সালে ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৬ জন নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন। তবে এ সময়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য বাদ দেওয়া হয়নি। মৃতদের নাম কাটা এবং হালনাগাদ কার্যক্রমের বাইরে বছরের বিভিন্ন সময়ে যারা ভোটার হয়েছেন তাদের তথ্য যুক্ত করে দাবি আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে আগামী ২ মার্চ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। খসড়া ভোটার তালিকা অনুযায়ী এখন মোট ভোটারের মধ্যে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫১৩ জন পুরুষ। ৫ কোটি ৪৮ লাখ ৯৯ হাজার ১৫৮ জন নারী। আর ৩৭৫ জন হিজড়া ভোটার। অর্থাত্ নারীর চেয়ে ১৪ লাখ ৮৫ হাজার ২৪৩ জন পুরুষ ভোটার বেশি অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

গতকাল রবিবার বিকালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব             মো. আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়। এবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সেটি হয়নি। ২০১৯ সালে ৬৫ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছিলেন। সে অনুপাতে এবার নতুন ভোটার অনেক কম।

২০২০ সালের ২ মার্চ ইসির প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী দেশে ভোটার ছিল ১০ কোটি ৯৮ লাখ ১৯ হাজার ১১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ছিল ৫ কোটি ৫৪ লাখ ৮২ হাজার ৫৩০ জন, নারী ভোটার ছিল ৫ কোটি ৪৩ লাখ ৩৬ হাজার ২২২ জন। ২০২০ সালে নতুন করে ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৬ জন যে নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ১ হাজার ৯৮৩ জন। নারী ভোটার ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৪৮ জন।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য না নেওয়ায় আইনের লঙ্ঘন হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এক্ষেত্রে আইনের লঙ্ঘন হয়নি। সারা বছরই উপযুক্ত ব্যক্তি ভোটার হতে পারেন। আর ২০১৯ সালে ১৫ ঊর্ধ্ব নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ পূর্ণ হয়েছে তাদের ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাছাড়া এখন জনসংখ্যার প্রবৃদ্ধিও কম। তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় নিজেদের চ্যানেলে মৃত ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করবে। খসড়া তালিকার বিষয়ে দাবি আপত্তি থাকলে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে। ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাবি আপত্তি নিষ্পত্তি করা হবে। ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।