গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরে ছয়দানা মালেকেরবাড়ী এলাকায় স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় গ্যাসের অপ্রতুল চাপের কারণে এসব রপ্তানিমুখী কারখানাগুলোতে উত্পাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। গ্যাসের অভাবে কোনো কোনো কারখানার উত্পাদন বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে। ফলে এসব কারখানায় উত্পাদিত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা যেমন দুরূহ হয়ে পড়েছে তেমনি কারখানামালিকরা বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশকিছু দিন যাবত্ ঐ এলাকায় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শিল্পকারখানায় সরবরাহকৃত গ্যাসের চাপ হ্রাস পেয়ে আসছে। গত এক সপ্তাহ যাবত্ গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। কারণ দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গ্যাসের চাপ একেবারেই কমে যায়। ফলে এ সময় কারখানাগুলোর উত্পাদন বন্ধ থাকে। শুধু তাই নয় আট ঘণ্টা গ্যাস না থাকায় উত্পাদনের জন্য ব্যবহূত চুল্লিতে তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়ায় এগুলোতে রক্ষিত মালামাল যেমন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তেমনি পুনরায় এটির তাপমাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে এনে উত্পাদন শুরু করতেও বিলম্ব হচ্ছে। একই অবস্থা আশপাশের শিল্পকারখানাগুলোতেও। গ্যাস সংকটের এমন অবস্থা চলতে থাকলে অনেক কারখানার উত্পাদন বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া উত্পাদন হ্রাস পাওয়ায় শ্রমিক-কর্মচারীদের যথাসময়ে বেতন পরিশোধ করতে না পারলে এলাকায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন। এ ব্যাপারে তিতাস গ্যাস গাজীপুর কার্যালয়ের উপব্যবস্থাপক মির্জা শাহনেওয়াজ লতিফ জানান, জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের স্বল্পতার কারণে গাজীপুর সিটিসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে গেছে। এজন্য ঐসব এলাকায় গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে।

