মেসিডোনিয়ার নাম পরিবর্তন নিয়ে গ্রিস সরকারের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে দেশটির রাজধানী এথেন্সে রবিবার বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে। এসময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। প্রতিবাদকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছুড়ে।
মেসিডোনিয়া নামটি অনেক গ্রিকের কাছে স্পর্শকাতর একটি বিষয়। তারা মনে করেন, মেসিডোনিয়া শুধু গ্রিসের প্রদেশের নাম হিসেবে থাকবে। গত বছর জুনে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সিস সাইপ্রাস ও মেসিডোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে একটি চুক্তিতে উপনীত হন। চুক্তিটি এখনো গ্রিসের পার্লামেন্টে পাস হয়নি। এই চুক্তি নিয়ে এই সপ্তাহে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হবে। প্রস্তাবটি পাস হলে উভয় দেশের মধ্যকার ২৮ বছরের বিরোধের নিরসন হবে। তবে চুক্তিটির পক্ষে ভোট দিলে পার্লামেন্টের কয়েকজন সদস্যকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভের আয়োজনকারীদের দাবি, রবিবারের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ছয় লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। তবে পুলিশের ভাষ্যমতে, বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা ছিল অনেক কম ৬০ হাজারের মতো। স্থানীয় সময় দুপুর দুইটার দিকে বিক্ষোভকারীরা গ্রিসের জাতীয় পার্লামেন্টের কাছে জড়ো হন। তারা গ্রিসের পতাকা উড়িয়ে স্লোগান দেন, ‘মেসিডোনিয়া হলো গ্রিক।’ কালো পোশাক পরে অনেক ধর্মীয় নেতারাও বিক্ষোভে যোগ দেন।
বিক্ষোভের এক পর্যায়ে মুখোশধারীরা পুলিশের দিকে পাথর ও আতশবাজি ছুড়ে মারলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে এবং তাদেরকে পার্লামেন্টের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। এই বিক্ষোভের সমর্থনে উত্তর গ্রিসের একটি মহাসড়কও সাময়িক সময়ের জন্য অবরোধ করে রাখা হয়েছিল।
