মনের কল্পনাকে তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলে নাভিদ। পুরো নাম তাহমিদ নাভিদ আজাদ। এসএফএক্স গ্রীন হেরাল্ড ইন্টা. স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সে। ভালোবাসে ছবি আঁকতে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন এবং জাতীয় শিশুদিবসে আয়োজিত ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় ১০০ জন আঁকিয়ে বন্ধুকে পেছনে ফেলে ২য় পুরস্কার জিতে নেয় সে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নিজে পুরস্কার তুলে দেন নাভিদের হাতে। ছবি আঁকাসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে এই খুদে আঁকিয়ে বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা হয় কচি-কাঁচার আসরের। আসরের বন্ধুদের জন্য তুলে ধরা হলো চুম্বকাংশ—
কচি-কাঁচার আসর :কেমন আছো নাভিদ?
নাভিদ : আলহামদুলিল্লাহ! বেশ ভালো আছি।
কচি-কাঁচার আসর : জাতীয় শিশু দিবসে আয়োজিত ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা সম্পর্কে বলো।
নাভিদ : ১৭ মার্চ, ২০১৮। সেদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ছিল। প্রতিযোগিতাটি হয়েছে জাতীয় জাদুঘরে। আমি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করি। কয়েক মাস পর আমার নামে ইনভাইটেশন কার্ড আসে। জানতে পারি, আমি দ্বিতীয় হয়েছি। পুরস্কার বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। শুনে কী যে ভালো লেগেছে বলে বোঝাতে পারব না।
কচি-কাঁচার আসর :পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কে গিয়েছিল তোমার সঙ্গে?
নাভিদ : আব্বু-আম্মু সঙ্গে গিয়েছিল। মজার ব্যাপার হলো, যে ছবিটি এঁকে আমি দ্বিতীয় হয়েছি, সে ছবিটি দিয়েই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের ব্যানার করা হয়েছিল। এটি আমার জন্য বেশি আনন্দের ছিল।
কচি-কাঁচার আসর : কী ছবি এঁকে পুরস্কার জিতেছ?
নাভিদ : নদী-নৌকা এবং প্রকৃতির ছবি।
কচি-কাঁচার আসর : প্রকৃতি তোমার ভালো লাগে?
নাভিদ : প্রকৃতির চেয়ে কার্টুন-মানুষের ছবি আঁকতে বেশি ভালো লাগে আমার।
কচি-কাঁচার আসর : অবসরে কী করো?
নাভিদ : গল্পের বই পড়ি। কার্টুন দেখি। গেমস খেলি।
কচি-কাঁচার আসর : কার গল্প তোমার বেশি ভালো লাগে।
নাভিদ : শার্লকহোমের গল্প আমার অসম্ভব ভালো লাগে। ডিটেক্টিভ গল্প আমাকে খুব টাচ করে।
কচি-কাঁচার আসর : বড় হয়ে কী হতে চাও? আর্টিস্ট না ডিটেক্টিভ?
নাভিদ : আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। ডাক্তার হলে মানুষের সেবা করার সুযোগ থাকে।
কচি-কাঁচার আসর : ডাক্তার হলে তো তুমি অনেক ব্যস্ত থাকবে। তখন কি ছবি আঁকবে না?
নাভিদ : যত ব্যস্তই থাকি, আমি চেষ্টা করব প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে হলেও ছবি আঁকতে। ছবি আমার বন্ধু।
গ্রন্থনা : আল ফাতাহ মামুন
