বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দৃশ্যত হ্রাস পাওয়ায় ইউরোপ আমেরিকা থেকে প্রবাসীদের দেশে আসার সম্ভবনা দেখা দিয়াছে। গত বছর চীন-ইউরোপ-আমেরিকায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী দেশে আসতে শুরু করে। অনেকে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা-কর্মী এমনকি সেনা প্রহরার মধ্যে ক্যাম্প থেকে জোর-জবরদস্তি করে দেশে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়ে তা দ্রুত বিস্তার লাভ করে। এজন্য বিমানবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। প্রবাসীরা দেশে এলে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে সরকার নির্ধারিত হোটেলে নিজ খরচে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিদেশে প্রচারণা জোরদার করতে হবে। অনেকে দিলিতে নেমে সড়ক ও রেলপথে সীমান্ত এলাকায় দিয়ে ঢুকতে পারে। এজন্য সীমান্তরক্ষীর পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো জরুরি। প্রবাসীরা যে হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন, সে হোটেলের ম্যানেজারের কাছে হোটেলে অবস্থানরত নারী-পুরুষ-শিশুদের তালিকা থাকবে। সরকারকে এ সমস্ত হোটেলে প্রতিদিন ভিজিলেন্স টিম পাঠিয়ে সবাই আছে না কেউ প্রহরীদের ম্যানেজ করে বাসা-বাড়িতে চলে গেছে, সেটা তদারকি করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসীদের সঙ্গে দেশে থাকা আত্নীয়স্বজন যাতে হোটেলে ঢুকতে না পারে তার জন্য কঠোর নজরদারির প্রয়োজন। প্রবাসীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকার ব্যাপারে ন্যূনতম শিথিলতা দেশের জন্য বিপদ বয়ে আনতে পারে।
আব্বাস উদ্দিন আহমদ
ধোপাদিঘির দক্ষিণ পাড়, সদর,
সিলেট ৩১০০
