মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষাসৈনিক, সাবেক এমপি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর খোন্দকার আব্দুল মালেক শহিদুল্লাহ (৮৫) ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ...রাজিউন)। গতকাল মঙ্গলবার মুক্তাগাছার নন্দীবাড়ীতে নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। আজ বুধবার মুক্তাগাছার নন্দীবাড়ীতে স্টেডিয়াম মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
খোন্দকার আব্দুল মালেক শহিদুল্লাহ ছাত্রাবস্থায় ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। পরে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও রফিক উদ্দিন ভুঁইয়ার কমিটিতে তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭০-এর নির্বাচনে মুক্তাগাছা আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে এমপিএ নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। যুদ্ধকালীন সময়ে তার সম্পাদনায় গোহাটি থেকে মুক্তি নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হতো। ১৯৯৭ সালে তিনি মুক্তাগাছা পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
সম্প্রতি তিনি বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার পাশাপাশি স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার চিকিত্সার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি চিকিত্সার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
তার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু এমপি ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলহাজ কে এম খালিদ এমপি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
