রোহানের উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৩৮

তোফায়েল পাঠান শান্ত

কাওছার আহমেদ রোহান—স্বপ্নবাজ এই তরুণের জন্ম গাজীপুর জেলায়। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসে (ইউল্যাব) সাংবাদিকতায় পড়াশোনা করছেন। ক্যাম্পাসের প্রিয় মুখ রোহানের ফটোগ্রাফির ওপর আগ্রহ সেই কলেজলাইফ থেকেই। শখের বশে বন্ধুবান্ধব ও সিনিয়রদের টুকটাক ছবি তুলে প্রশংসায় আরো উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন। তখনই একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার হওয়ার বাসনা মনের কোণে উঁকি দিতে থাকে। একদিন বাবার কাছে আবদার করেন ভালো মানের ক্যামেরা কিনে দিতে। তিনিও ছেলেকে সঙ্গে সঙ্গে কিনে দেন নতুন ক্যামেরা। তখন থেকেই ফটোগ্রাফার হওয়ার যাত্রা শুরু। এর কিছুদিন পর প্রফেশনালি ফটোগ্রাফির কাজ করার উদ্দেশ্য নিয়ে নিজেই ফিল্মিজম নামে একটি ফেসবুক পেইজ খুলে বসেন। রোহান, রাইন, সাঈদ, বেনিইয়ামিন, তীর্থ, মুগ্ধসহ আরো কয়েক জন সহযোদ্ধা নিয়ে এগোতে থাকে তার স্বপ্নযাত্রা। করোনার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও বন্ধ থাকেনি ফিল্মিজমের ক্যামেরার লেন্স! দেশের নানা জায়গা থেকে একের পর এক ওয়েডিংসহ নানা ধরনের ফটো ও ভিডিওগ্রাফির জন্য ফিল্মিজমের ডাক আসতে থাকে। রোহানের সুদক্ষ নেতৃত্বে ফিল্মিজম এই করোনার মধ্যেই কয়েক লাখ টাকা আয় করতে থাকে।

করোনার মধ্যেও এত অল্প সময়ে কীভাবে এই সফলতা আসে? এমন প্রশ্নে কাওছার আহমেদ রোহান বলেন, করোনার সময়টা শুধু ঘরে বসে না থেকে আমি নিজের দক্ষতাগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। যখন আমি কাজে নামি সেটা ছিল আমার জন্য পুরাতনের নতুন শুরুর মতো। এক অন্য আমিকে নিজেই আবিষ্কার করি। আর সেই কাজগুলো মানুষের এত পছন্দ হয়েছে। ফিল্মিজম নিয়ে ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা কী? এমন জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, আমি চাই ভবিষ্যত্ ফিল্মিজম হোক তরুণ ক্রিয়েটিভ এবং ডেডিকেটেড ছেলেমেয়েদের আঁতুড়ঘর। এখান থেকে যে কাজ আসবে তা যেন মানুষ মনে রাখে।