চীনের যে তিন অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার চিন্তার কারণ!

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:৩৭

বিবিসি

বর্তমান বিশ্বে চীন, যুক্তরাষ্ট্র আর রাশিয়া— এই তিনটি দেশ এক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছে। অভ্যন্তরীণ সমস্যা এবং সমুদ্রসীমা নিয়ে ভৌগোলিক দ্বন্দ্বের কারণে গত শতকের নব্বই দশকের শুরু থেকেই দেশটির সামরিক বাহিনী পিপলস’স লিবারেশন আর্মিকে আধুনিক করে তুলতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে চীন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের আমলে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সঙ্গে তাদের সামরিক ক্ষমতার পার্থক্য দ্রুত কমে আসছে এবং দেশটি দ্রুত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশগুলোর একটি হয়ে উঠছে। যা আসলে প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার জন্য চিন্তার কারণ হয়ে ওঠছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রতিরক্ষা সংস্থার সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দেশটি সামরিক শক্তিকে আধুনিকায়ন করার পাঁচ বছরের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যেতে তারা এখনো সক্ষম। প্রযুক্তির নানা ধরনের ব্যবহার দেশটির সামরিক বাহিনীকে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক কিছু অস্ত্র সম্ভারের মালিক করে তুলছে। অনেকগুলো ক্ষেত্রে দেশটি এর মধ্যেই বিশ্বের মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছে গেছে।

২০১৮ সালে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ছবি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, চীন হয়তো যুদ্ধজাহাজে স্থাপন করার উপযোগী এমন অস্ত্র তৈরি করেছে যেটি শব্দের পাঁচগুণ গতিতে (হাইপারসনিক স্পিড) গুলি ছুঁড়তে পারে। অনেকদিন ধরেই বিশ্বের অনেক দেশ এমন অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে।

এছাড়া সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবর অনুযায়ী, ২০১৮ সালের আগস্টে চীন ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা এমন একটি হাইপারসনিক বিমান পরীক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে, যেটি বিশ্বের যেকোনো মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করতে সক্ষম। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র আর রাশিয়া হাইপারসনিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস মার্কিন কংগ্রেসে বলেছেন, হাইপারসনিক অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিযোগীদের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র পিছিয়ে পড়েছে।

এদিকে গত মাসে নতুন ধরনের একটি বিশাল বোমার প্রদর্শন করেছে চীন, যাকে বলা হচ্ছে চীনের ‘সব বোমার মা’। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসিভ অর্ডিন্যান্স এয়ার ব্লাস্টের মতো যেটিকে বর্ণনা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।