স্তরের কাহিনি
আলোর ভেতর আলোর চলন
নিরীক্ষা ধরন
রহস্যতে বিরাজ করে বিচিত্র বরন
মাটির ভেতর মাটির সাজন
পাঁচালি গাজন
রকমারি প্রাণের স্ফূরণ, একেলা রাজন
জলের ভেতর জলের নাচন
নৈকট্য সাধন
আজন্মেরি মূলের সাথে বিপন্ন বাঁধন
হাওয়ার ভেতর হাওয়ার গমন
যেমনি সমন
অবলীলে তেমনি চলে অলক্ষে রমণ
মনের ভেতর মনের যতন
গর্ভেরি মতন
দিব্যধৈর্যে খুঁড়লে মেলে মনুষ্য রতন
চলের ভেতর চলের গড়ন
কে করে হরণ
বেখেয়ালে আপন দোষে জীবনে মরণ
কালের ভেতর কালের শাসন
বিভ্রান্ত ভাষণ
গণঐক্যে সর্দার খোঁজে বিকল্প আসন
দলের ভেতর দলের দলন
অবোধ্য স্খলন
প্রাধান্য পায় ছল-চাতুরীর বিপুল বলন
সভ্যতার চন্দ্রবিন্দু
এ কী দিনক্ষণ! দিনরাত, রাতদিন
তবু উত্সব উত্সব প্রান্তিকের অবস্থা সঙ্গিন
এমন হয় যে পায় না ঠিকানা
অগতির শেষ কত দূর কোথায় সীমানা
কিছুতেই লুকনো যায় না আকালের মুখ
যেমন আঁচল ফুঁড়ে অযাচিত বুক
কামনার বাসন্তিকা নাগালে মেলে না
আব্রুর সন্ধানে বড়োই কাতর বিবস্ত্র হেলেনা
ঠান্ডা ঘরে সংলাপ ফুলদানি সেজে,
গ্রীষ্মের বর্ণনা
তাতেও ভিশনে কমতি কোথায়
দর্শকের উন্মাদনা
নিবেদিত
পড়েছে পলক ছায়া নির্মল জলের ছাপ
আবছা হলেও বেশ লাগে টানা টানা চোখ
আকাশটা এত কাছে একি রূপের বলক
ছুঁয়ে দেখা যায় এগোলেই আরো এক ধাপ
তন্বী তনুলতা বাও লেগে করে হলপল
ঢলঢলে সদ্য ফোটা পুষ্পজোড়া কী মধুর
সলাজ রসের ছবি কোনো গাঁয়ের বধূর
শরতে শিশির ভেজা আহা সজল শ্যামল
কত কথা বলে যায় পথে স্বভাব কলায়
ভাবনারা দিবস-রাতের কেড়ে নেয় ঘুম
অনুভবে নেশা ধরে সুন্দর আনন্দের ধুম
সাগরের মতো ঢেউ ওঠে বুকের তলায়
কে পারে এমন জনে ভুলে যায়, ফেলে যায়
যে চলেছে ধরা দিতে পাশে পাশে পায় পায়
