বাইডেনের নির্দেশে সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলা, নিহত ১৭

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৫০

সিরিয়ায় ইরানপন্থি মিলিশিয়ার ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁটি ও দূতাবাসে রকেট হামলার পর প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই নির্দেশ দেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর জো বাইডেন এই প্রথম অন্য দেশে সন্ত্রাসীদের ওপর আক্রমণের নির্দেশ দিলেন। এই হামলায় এক ইরান যোদ্ধাসহ অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। খবর ডয়চেভেলে ও রয়টার্সের

সিরিয়ার ইরানপন্থি নিউজ চ্যানেল জানিয়েছে, মার্কিন হানায় এক জন মারা গেছেন, আহত বহু। পূর্ব সিরিয়ার স্থানীয় এবং হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, সিরিয়ায় ইরানপন্থি সন্ত্রাসীদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে। সীমান্তের কন্ট্রোল পয়েন্টে সন্ত্রাসীদের বেশ কিছু পরিকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে বলে তাদের দাবি। পেন্টাগন জানায়, তাদের এই আক্রমণের ফলে একটা বার্তা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। আক্রমণের আগে বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে কথাও বলা হয়েছে। সামরিক প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি কূটনৈতিক স্তরেও আলোচনা চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

পেন্টাগন বলেছে, তাদের লক্ষ্য ছিল ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া কাতাইব হিজবুল্লাহ এবং কাতাইব সঈদ আল-সুহাদা। তাদের দাবি, এটা হলো সমানুপাতিক সামরিক প্রতিক্রিয়া। সম্প্রতি ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানো হয়। তাতে এক জন কন্ট্রাক্টরের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েক জন আহত। তারপর বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করেও রকেট হামলা হয়।

পেন্টাগনের দাবি, প্রেসিডেন্ট বাইডেন আমেরিকা ও মিত্র দেশগুলোর সেনাকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। আবার তিনি পূর্ব সিরিয়া ও ইরাকের পরিস্থিতি খারাপ হোক তাও চান না। সবদিক বিবেচনা করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবর, সাতটি ৫০০ পাউন্ডের বোমা কয়েকটি বাড়ির ওপর ফেলা হয়েছে। সিরিয়া-ইরাক সীমান্তে এই বাড়িগুলো থেকেই অস্ত্র পাচার করা হতো এবং সন্ত্রাসীরা ইরাকে ঢুকত বলে অভিযোগ। পেন্টাগন আরো বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে চেয়েছিল। কিন্তু বাইডেন ছোট করে আক্রমণের পক্ষে মত দেন। পেন্টাগনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, যারা রকেট হামলা চালিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।