ইত্তেফাক ডেস্ক
লোকসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগেই দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উত্তর প্রদেশের পূর্বাঞ্চলের দায়িত্ব নেবেন তিনি। এবার শোনা যাচ্ছে, নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন প্রিয়াঙ্কা। সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি’র এক খবরে বলা হয়েছে, মা সোনিয়া গান্ধীর আসন রায়বরেলি থেকে লোকসভা ভোটে লড়তে পারেন তিনি। তবে এ ব্যাপারে কংগ্রেসের কোনো নেতাই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। উত্তর প্রদেশের রায়বরেলি এবং আমেঠি- এই দুটি লোকসভা আসন সব সময় গান্ধী পরিবারের দখলে থেকেছে। শেষ কয়েকটি নির্বাচনে রায়বরেলি থেকে জিতছেন সোনিয়া। আর আমেঠিতে জিতেছেন রাহুল গান্ধী। এবার দেশের সবচেয়ে বড় রাজ্যে জোট করে ভোটে লড়ছে সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজপার্টি। তারাও এই দুটি কেন্দ্রে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভোটে লড়বেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে কংগ্রেস সভাপতি ও তার ভাই রাহুল গান্ধী বলেছেন, সেটা তার নিজের ব্যাপার।
এদিকে উত্তর প্রদেশ সফররত রাহুল গান্ধী বলেছেন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে উত্তর প্রদেশে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ওই রাজ্যে কংগ্রেসের সরকার গঠন করার জন্য। আর আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস সর্বশক্তি দিয়ে উত্তর প্রদেশে লড়াই করবে। বিজেপিকে উত্তর প্রদেশ থেকে বিদায় করা হবে। তবে উত্তর প্রদেশের আমেঠিতে নিজের সংসদীয় আসনেই কৃষকদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের মুখে পড়েন রাহুল গান্ধী। কৃষকদের দাবি, তাদের কাছ থেকে নিয়ে রাজিব গান্ধী ফাউন্ডেশনকে যে জমি দেওয়া হয়েছিল, হয় সেগুলো ফিরিয়ে দেওয়া হোক, নয়তো তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হোক। এক কৃষক নেতা বলেন, আমরা রাহুল গান্ধীকে নিয়ে খুবই হতাশ। তার ইতালি ফিরে যাওয়া উচিত। তিনি এখানে থাকার যোগ্য নন।
