গুলশান লেকশোর হোটেলে বছরব্যাপী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন করে স্বপ্নপূরণের উদ্দেশ্যে কাজ করি। এদেশে কোনো সংবিধান নেই, ভোটের অধিকার নেই, ভোটারবিহীন নির্বাচন চলে। ভোট ডাকাতি করে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে সরকার। আমরা দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে চাই। প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান এবং শ্রদ্ধা করতে চাই। দেশের প্রতিটি মানুষকে আমরা মূল্যায়ন করতে চাই। আপনারা জানেন, এই সরকার সম্পূর্ণ অবৈধভাবে জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা জানে না, ইচ্ছা করলে এ খেতাব বাতিল করা সম্ভব না। গতকাল লন্ডন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সদস্যসচিব আব্দুস সালামের পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, দলের ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর বীর-উত্তম, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক বক্তব্য রাখেন। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আব্দুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, রুহুল আলম চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এনামুল হক চৌধুরী, মাহবুবউদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, আসাদুজ্জামান রিপন, শ্যামা ওবায়েদ, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, শহিদুল ইসলাম বাবুলসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, তুরস্ক, জাপান, জাতিসংঘ, ইউএসএইড, আন্তর্জাতিক রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
